বিদায়ী ম্যাচে মাঠে নামছেন ইউনিস-মিসবাহ
বলতে গেলে, পাকিস্তান ক্রিকেট দলের একটা যুগ শেষ হচ্ছে। মিসবাহ উল হক ও ইউনিস খান আজ তাঁদের শেষ টেস্টে মাঠে নামছেন। এই টেস্টের পরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছেন কিংবদন্তি এই দুই ক্রিকেটার। দেশটির ইতিহাসের সেরা এই দুই ক্রিকেটারকে জয় দিয়েই বিদায় জানাতে চান সতীর্থরা। ভালো ব্যাটিং করে দলকে জেতাতে মরিয়া হয়ে আছেন মিসবাহ ও ইউনিস।
সন্ধ্যায় ডমিনিকাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামছে পাকিস্তান। নিজেদের ৬৫ বছরের ইতিহাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাদের মাটিতে সিরিজ জিততে পারেনি পাকিস্তান। তবে এবার সিরিজ জয়ের দাঁড়প্রান্তে রয়েছে দেশটি। এই টেস্ট জিতলেই ক্যারিবীয় মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জিতবে পাকিস্তান।
সিরিজের প্রথম টেস্টে ৭ উইকেটে জয় পায় পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় টেস্টে রোস্টন চেজের সেঞ্চুরি আর গ্যাব্রিয়েল শ্যাননের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১০৬ রানে দ্বিতীয় টেস্টটা জিতে সমতায় ফেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
মিসবাহ উল হক ও ইউনিস খানের বিদায়ী টেস্টে জয় উপহার দিতে চায় সতীর্থরা। বিষয়টা ভালোভাবে বোঝেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। তবে হার মানতে নারাজ তিনি। জানালেন, ম্যাচটি পাকিস্তানের জন্য যতই আবেগের হোক না কেন মাঠে এক বিন্দু ছাড় দেবে না তাঁর দল।
২০০০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন ইউনিস খান। টেস্টে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ রানের মালিক সংগ্রাহক ইউনিস। প্রথম পাকিস্তানি হিসেবে টেস্টে ১০ হাজার রান পূর্ণ করেছেন তিনি। ১১৭ টেস্টে ৫২.২৪ গড়ে ১০০৪৬ রান করেছেন ইউনিস। ৩৪টি সেঞ্চুরির ও ৩৩টি অর্ধশতক রয়েছে তাঁর। এ ছাড়া ২৬৫টি একদিনের ক্রিকেটে ৭২৪৯ করেছেন ইউনিস। সাতটি শতক রয়েছে তাঁর নামের পাশে।
মিসবাহর টেস্ট অভিষেক হয় ২০০১ সালে। তবে মূলত ২০০৭ সালের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরই আলোচনায় আসেন মিসবাহ। ৭৪ টেস্টে ৪৬.৯১ গড়ে ৫১৬১ রান করেছেন তিনি। ১০ শতক ও ৩৮টি অর্ধশতক রয়েছে তাঁর। এ ছাড়া ১৬২টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৫১২২ করেন মিসবাহ। সেঞ্চুরি না পেলেও অর্ধশত করেছেন ৪২ বার।

স্পোর্টস ডেস্ক