সাকিবের অন্যরকম ‘হাফসেঞ্চুরি’
২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত—টানা তিন বছর বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন সাকিব আল হাসান। এরপর নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। অবশ্য মাঝখানে কখনো সহ-অধিনায়ক আবার কখনো ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামার আগে ৪৯টি ওয়ানডেতে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
আজ শুক্রবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার অনুপস্থিতিতে টস করতে নামেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। আর তখন নতুন একটি মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। ওয়ানডে ৫০টি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করার কৃতিত্ব দেখান।
সাকিবের আগে এই মাইলফলক স্পর্শ করতে পেরেছেন শুধু একজন, হাবিবুল বাশার। ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ খেলেছিল মোট ৬৯টি ওয়ানডে ম্যাচ।
এর আগে ৪৯টি ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে সাকিব জয় পেয়েছেন ২৩টি ম্যাচে। হেরেছেন ২৬টিতে। আজ কেমন করেন সেটাই এখন দেখার।
ওয়ানডে ছাড়াও সাকিব নয়টি টেস্টে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেন। তাঁর অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র একটি টেস্ট। বাকি সবকটিতেই হেরেছে। আর চারটি টি-টোয়েন্টিতে নেতৃত্ব দিলেও একটি ম্যাচও জেতাতে পারেননি বাংলাদেশকে।
অবশ্য এখন আবার টি-টোয়েন্টির নিয়মিত অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় মেয়াদের এই দায়িত্বে সাকিব অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামেননি। মাশরাফি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ার পরই তাঁর হাতে এই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়।

ক্রীড়া প্রতিবেদক