‘জীবনে খুব বেশি আফসোস নেই’
২০০৭ সালে ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণ টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল সাকিব আল হাসানের। গত প্রায় এক দশকে ৪৯টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। এই দীর্ঘ সময়ে এত কম টেস্ট খেললেও খুব বেশি আফসোস নেই তাঁর। তবে এই সময়ে কেমন পারফর্ম করেছেন সেটাই বড় ব্যাপার বলে মনে করেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
আগামী রোববার শুরু হতে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে নতুন মাইলফলক গড়তে যাচ্ছেন সাকিব। ৫০তম টেস্ট খেলতে নামবেন তিনি। এই দীর্ঘ সময়ে এত কম টেস্ট খেলায় কোনো আফসোস আছে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে কি, জীবনে খুব বেশি আফসোস নেই আমার। যা পেয়েছি তাতেই খুশি আমি। হয়তো আরো বেশি টেস্ট খেলতে পারলে ভালো লাগত। তবে যা খেলেছি সেগুলোতে কেমন করেছি, সেটাই আমার কাছে বড় ব্যাপার।’
এই সময়ে কোন ম্যাচটি সাকিবের কাছে সবচেয়ে বেশি স্মরণীয়। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে সবচেয়ে স্মরণীয় টেস্ট গত বছর ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টেস্ট। আর স্মরণীয় পারফরম্যান্স ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গ্রানাডায়। সে ম্যাচে ৯২ রান করেছিলাম। আর এ বছর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৭ এবং এই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৮ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে সাত উইকেট, এই তো।’
এসব দারুণ পারফরম্যান্স সাকিবকে নিয়ে গেছে বিশ্বসেরাদের কাতারে। এখন তিনি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তবে মাঝে মাঝে এই র্যাংকিংও ওঠা-নামা করে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আসলে র্যাংকিংয়ের এই ওঠা-নামা আমার খেলায় খুব একটা প্রভাব ফেলে না। তা নিয়ে আমি খুব বেশি ভাবিও না। মাঝেমধ্যে টিভির স্ক্রলে দেখি, এটাই।’
এদিকে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন সিরিজের প্রথম টেস্ট হবে আগামী ২৭-৩১ আগস্ট মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। এরপর ৪-৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।

ক্রীড়া প্রতিবেদক