অ্যান্ডারসন জাদুতে সিরিজ ইংল্যান্ডের
দ্বিতীয় দিনেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরাজয়টা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। তবে দেখার বিষয় ছিল, ইংলিশ পেসারদের বিপক্ষে কতক্ষণ লড়াই করতে পারেন সাই হোপ। পারেননি হোপ। জেমস অ্যান্ডারসনের বোলিং তোপে অসহায় আত্মসমর্পণ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানরা। জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে মাত্র ১০৭ রানের লক্ষ্য রাখে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হাসতে হাসতেই ৯ উইকেটে ম্যাচটা জিতে নেয় ইংল্যান্ড। ফলে সিরিজটা জিতে নিল স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয় দিনের ৩ উইকেটে ৯৩ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩৫ রানে অপরাজিত থাকা সাই হোপ আউট হন ৬২ রান করে। তবে অপর ব্যাটসম্যানরা তাঁকে সঙ্গ দিতে পারেননি। ২৩ রান করেন অধিনায়ক হোল্ডার এ ছাড়া ১৪ রান করেন শেন ডওরিচ। ইংল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে জেমস অ্যান্ডারসন একাই ৭ উইকেট নেন, রান দেন মাত্র ৪২।
দ্বিতীয় দিন প্রথম ইংলিশ পেসার হিসেবে ৫০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন অ্যান্ডারসন। এবার গড়লেন ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। কেবল তাই নয়, ৩৫ বছরের বেশি বয়সী পেসারের ক্ষেত্রে গত শতকে অ্যান্ডারসনের চেয়ে ভালো বোলিং রেকর্ড নেই আর কোনো পেসারের। এর আগে পেসার হিসেবে ১৯১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫৬ রানে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের সিডনি বার্নস। অ্যান্ডারসন এদিন নিজেকেই ছাড়িয়ে গেলেন। এর আগে ২০০৮ সালে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৩ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস : ৫৭.৩ ওভার ১২৩ (পাওয়েল ৩৯, শাই ২৯, চেজ ১৮, ব্র্যাফেট ১০, হোল্ডার ৯, বিশু ১৩*; স্টোকস ৬/২২, অ্যান্ডারসন ২/৩১, রোল্যান্ড-জোন্স ২/৩২)
ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস : ৫২.৫ ওভারে ১৯৪ (স্টোকস ৬০, স্টুয়ার্ট ব্রড ৩৮, বেয়ারস্টো ২১, মালান ২০, রোচ ৫/৭২ হোল্ডার ৪/৫৪)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংস : ৬৫.১ ওভারে ১৭৭ (সাই হোপ ৬২, পাওয়েল ৪৫, হোল্ডার ২৩, ডওরিচ ১৪; অ্যান্ডারন ৭/৪২, ব্রড ২/৩৫, রোল্যান্ড-জোন্স ১/৩১), ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংস : (লক্ষ্য ১০৭) ২৮ ওভারে ১০৭/১ (স্টোনম্যান ৪০*, ওয়েস্টলি ৪৪*, বিশু ১/৩৫)

স্পোর্টস ডেস্ক