তারপরও মাশরাফি খেলতে চান ইতিবাচক ক্রিকেটই
লঙ্কান সিংহদের বিপক্ষে হারতেই পারে দল। এমন কোনো অজেয় দল বাংলাদেশ এখনো হয়নি যে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে জাত যাবে টাইগারদের। দলনায়ক নিজেও বললেন সেটাই। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ ম্যাচে পরাজয়ে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা অবাক হননি। তবে পরাজয়ের ধরণটা নিয়ে হতবাক তাঁর দল। অবশ্য এরপরও মাশরাফি খেলতে চান ইতিবাচক ক্রিকেটটাই।
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে বাংলাদেশ যে শুধু জয় পেয়েছে তাই নয়। প্রতিপক্ষকে একদম কোণঠাসা করে দিয়ে টাইগাররা বোনাস পয়েন্টসহ জিতেছে তিন ম্যাচেই। আর প্রশ্নটাও উঠছে ঠিক সে কারণেই। এত দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলার পর হঠাৎ কি এমন ‘অলুক্ষণে’ কাণ্ড ঘটল যে গোটা দলকে গুটিয়ে যেতে হলো মাত্র ৮২ রানের মোড়কে!
মিরপুরে দিবা-রাত্রির ম্যাচটায় পার হয়নি বিকেলটাও। এর আগেই ম্যাচ শেষ করে যে যার যার ড্রেসিংরুমে। সাংবাদিকরা হয়তো ভাবেনওনি এত আগে গমগম করে উঠবে শেরেবাংলার সংবাদ সম্মেলন কক্ষ! বিপর্যয়ের দিনটাতে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হতে এলেন মাশরাফিই।
ব্যর্থতার অমন প্রদর্শনীর পর ম্যাচ নিয়ে আর কিইবা মন্তব্য করা যায়। মাশরাফি নিজেও অপারগ, ‘এটা আসলে নির্ভর করছে ব্যক্তির ওপর। আমরা জানি যে শ্রীলঙ্কা আমাদের হারাতে পারে। কিন্তু এভাবে আমরা হারব সেটা কেউই প্রত্যাশা করিনি। এটা তো সত্যি। ড্রেসিং রুমের কেউই এটা বিশ্বাস করবে না যে আমাদেরকে শ্রীলঙ্কা হারাতে পারে না। আগের তিন ম্যাচ খেলার পর এভাবে হারব সেটা হয় না। তিন ম্যাচে অমন পারফরম্যান্সের পর আসলে মন্তব্য করা খুব কঠিন। ম্যাচের বিস্তারিত ব্যাখ্যাটাও এখন সহজে দেওয়া যাবে না।’
ভেঙ্গেছে মাশরাফি আর তার দল তবে রাজি নয় মচকাতে। ফাইনালের ঠিক আগে এমন পরাজয়কে দলপতি মানছেন সতর্কবার্তা হিসেবে। সতর্ক থেকেই খেলতে চান ইতিবাচক ক্রিকেটটাই, ‘আমার কাছে মনে হয়, যেভাবে আমরা শেষ তিন ম্যাচ খেলেছি সেভাবেই আমাদের চিন্তা করতে হবে। তারপরও আমাদের ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে হবে। হয়তোবা এটা আমাদের জন্য ভালো একটা সতর্কবার্তা ছিল ফাইনালের আগে। হয়তো আমাদের নার্ভটা আরেকটু শক্ত হবে।’

স্পোর্টস ডেস্ক