জাতীয় লিগে শতকের ছড়াছড়ি
চোটের কারণে বিশ্বকাপের মাঝপথে দেশে ফেরত আসার পর থেকেই জাতীয় দলের বাইরে তিনি। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে ভারত সফরে গেলেও তেমন সাফল্য পাননি এনামুল হক। জাতীয় ক্রিকেট লিগের শুরু থেকেও হতাশার বৃত্তেই ঘুরপাক খেতে হচ্ছিল এই ওপেনারকে। অবশেষে চতুর্থ রাউন্ডের তৃতীয় দিনে জ্বলে উঠলেন এনামুল। ঢাকার বিপক্ষে দারুণ একটি শতক করে খুলনাকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে বড় অবদান তাঁর। শতক পেয়েছেন এনামুলের সতীর্থ তরুণ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান নুরুল হাসানও। সোমবার আরো তিনটি শতক হয়েছে। সিলেটের বিপক্ষে বরিশালের হয়ে শতক করেছেন সালমান হোসেন ও আল আমিন। আর রাজশাহীর বিপক্ষে চট্টগ্রামের পক্ষে তিন অঙ্কের রান এসেছে তাসামুল হকের ব্যাট থেকে।
ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ৭ উইকেটে ৫০৬ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেছে খুলনা। আগের দিন মেহদী হাসানের (১০৪) শতকের পর সোমবার এনামুল (১০০) আর নুরুল হাসানও (১৮২*) জ্বলে ওঠায় খুলনা পেয়ে গেছে বিশাল সংগ্রহ। তাই প্রথম ইনিংসে ৩৭ রানে পিছিয়ে থাকলেও প্রতিপক্ষের সামনে ৪৭০ রানের কঠিন লক্ষ্য ছুড়ে দিতে পেরেছে খুলনা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৩৭ রান তুলতেই দুই উইকেট হারিয়ে ফেলেছে ঢাকা।
বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামেও সোমবার ছিল ব্যাটসম্যানদের রাজত্ব। সালমান হোসেন (১৪৬) ও আল আমিনের (১৫৭) দারুণ দুটি শতকে বরিশাল সাত উইকেটে ৪৬৪ রান করে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেছে। তাই প্রথম ইনিংসে ১৭ রানে পিছিয়ে থাকলেও সিলেটের সামনে ৪৪৮ রানের কঠিন লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে বরিশাল। জবাবে তৃতীয় দিন শেষে সিলেটের স্কোর ৫৪/২।
চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তাসামুল হকের অপরাজিত ১৩৪ রানের সুবাদে প্রথম ইনিংসে ৩৫০ রান করেছে চট্টগ্রাম। রাজশাহী ২০৮ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ায় স্বাগতিকদের লিড ১৪২ রানের। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দুই উইকেটে ৯৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে রাজশাহী।
খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ঢাকা মেট্রো আর রংপুর বিভাগের মধ্যে তীব্র লড়াই হচ্ছে। প্রথম ইনিংসে ঢাকা মেট্রোর ২৪৫ রানের জবাবে রংপুরের ইনিংস থেমে যায় ২৯৯ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিন শেষে দুই উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান করেছে ঢাকা মেট্রো। ৮ উইকেট হাতে নিয়ে তারা এগিয়ে আছে ১২৫ রানে।

ক্রীড়া প্রতিবেদক