তাসকিনের ফেরার লড়াই শুরু
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝপথে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে নিষিদ্ধ হন পেসার তাসকিন আহমেদ। তাঁর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সব ধরনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিল। শুধু তাই নয়, নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি। শুনানি শেষে তা খারিজ করে দেয় আইসিসি।
স্বাভাবিক কারণে বোলিং অ্যাকশনের ত্রুটি সেরে আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে হবে তাসকিনকে।
তাই আগেই অনুমেয় ছিল বাংলাদেশ দলের এই ডানহাতি পেসারকে আরেকটি লড়াইয়ে নেমে পড়তে হচ্ছে। সোমবার অ্যাকশন শুধরানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছেন তিনি।
জাতীয় দলের পেস বোলিং কোচ হিথ স্ট্রিকের অধীনে তাসকিনের এই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়োম সংলগ্ন একাডেমি মাঠে আজ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অ্যাকশন নিয়ে কোচের অধীনে কাজ করেন তিনি। তবে তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ করেন আম্পায়াররা। এর পর ১৪ মার্চ চেন্নাইতে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন তিনি। ১৯ মার্চ আইসিসি তাঁকে নিষিদ্ধ করে, ত্রুটি আছে এই অভিযোগে।
এই নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের জন্য বিসিবি পরে আবার আইসিসির কাছে আবেদন করে। কিন্তু দীর্ঘ শুনানি শেষে বিসিবির এই আবেদনও খারিজ করে দেয় আইসিসি।
অথচ তাসকিনের স্টক বল (গুড লেন্থ) এবং ইয়র্কারে কোনো ধরনের অনিয়ম পায়নি আইসিসি। তবে পরীক্ষার সময় তাসকিনকে তিন মিনিটের ব্যবধানে নয়টি বাউন্সার করতে বলা হয়। এর মধ্যে তিনটি বল আইনসম্মত ছিল না।
কিন্তু যে ম্যাচটির বোলিং নিয়ে আম্পায়াররা তাসকিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সেই ম্যাচটিতে তাসকিন একটিও বাউন্সার দেননি!

ক্রীড়া প্রতিবেদক