অপেক্ষা বাড়ল কুকের
মাত্র ৩৬ রান। হেডিংলিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই ৩৬টি রান করতে পারলেই টেস্ট ইতিহাসের দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে ১০ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলতে পারতেন অ্যালিস্টার কুক। সবচেয়ে কম বয়সে এই মাইলফলক স্পর্শ করার রেকর্ডে ছাড়িয়ে যেতে পারতেন ব্যাটিং কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকেও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা পারেননি ইংলিশ অধিনায়ক। মাত্র ১৬ রানেই সাজঘরে ফিরিয়ে কুকের অপেক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার পেসার দাসুন শানাকা।
এ দফা ব্যর্থ হলেও কুক অবশ্য টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য আরো কিছুদিন সময় পাবেন। ২০০৫ সালের মার্চে টেন্ডুলকার পূর্ণ করেছিলেন ১০ হাজার টেস্ট রান। তার এক মাস পরেই তিনি পা দিয়েছিলেন ৩২ বছরে। আর গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর কুক পূর্ণ করেছেন ৩১ বছর, অর্থাৎ সবচেয়ে কম বয়সে ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করার ক্ষেত্রে টেন্ডুলকারের চেয়ে প্রায় পাঁচ মাসের ব্যবধানে এগিয়ে থাকবেন কুক। দ্বিতীয় ইনিংসেও হয়তো এই রেকর্ড ভেঙে দিতে পারেন ইংল্যান্ডের এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালোভাবেই করেছিলেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার কুক ও অ্যালেক্স হেলস। প্রথম ২০ ওভার ব্যাটিং করেছিলেন নির্বিঘ্নেই। মাইলফলকের হাতছানি সামনে থাকায় হয়তো একটু বেশিই সতর্ক ছিলেন কুক। ৫২ বল খেলে করেছিলেন ১৬ রান। কিন্তু ২১তম ওভারের প্রথম বলে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে তাঁকে। শানাকার বলে কাভার ড্রাইভ করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছিলেন উইকেটের পেছনে। ফলে ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করার জন্য আরো ২০ রান করতে হবে ইংল্যান্ডের অধিনায়ককে।
হেডিংলি টেস্টের প্রথম দিনে শুধু কুকই নন, ব্যর্থ হয়েছেন ইংল্যান্ডের প্রথম সারির আরো চার ব্যাটসম্যান। মাত্র ৮৩ রান সংগ্রহ করতেই ইংল্যান্ড হারিয়েছিল কুক (১৬), নিক কম্পটন (০), জো রুট (০), জেমস ভিনস (৯) ও বেন স্টোকসের (১২) উইকেট। তবে ষষ্ঠ উইকেটে ৮৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন অ্যালেক্স হেলস ও জনি বেয়ারস্টো। ৭১ রানে অপরাজিত থাকা হেলস খুব ভালোমতোই এগিয়ে যাচ্ছেন প্রথম টেস্ট শতকের দিকে। বেয়ারস্টো অপরাজিত আছেন ৫৪ রান নিয়ে। প্রথম দিন শেষে ইংল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছে ১৭১ রান।
অভিষেক টেস্টেই দারুণ বোলিং করে নজর কেড়েছেন শানাকা। এখন পর্যন্ত ৯ ওভার বল করে তুলে নিয়েছেন তিনটি উইকেট।

স্পোর্টস ডেস্ক