মুস্তাফিজের ইংল্যান্ডে অভিষেক ১০ জুন?
আইপিএলে ঝড় তোলার পর ইংল্যান্ডেও মুস্তাফিজুর রহমান জ্বলে উঠতে পারবেন কি না, তা এখনো অজানা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে ইংল্যান্ডে খেলার অনানুমতিপত্র বা এনওসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি এখনো। লুক রাইট অবশ্য মুস্তাফিজের অপেক্ষায় দিন গুনছেন। সাসেক্স অধিনায়কের আশা, আইপিএল শেষ করে একটু দেরিতে হলেও দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন বাংলাদেশের কাটার-মাস্টার।
২০১৫ সালের এপ্রিলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকেই একটানা খেলে যাচ্ছেন মুস্তাফিজ। সে জন্যই হয়তো এশিয়া কাপের সময় চোট পেয়ে মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল কিছুদিন। দেশের ক্রিকেটের অন্যতম সেরা সম্পদকে নিয়ে বিসিবিও চিন্তিত। তাই ইংল্যান্ডে খেলার অনুমতি দেওয়া নিয়ে দ্বিধান্বিত ক্রিকেট কর্মকর্তারা।
অবশ্য ক্রিকেটের আদিভূমিতে খেলতে গেলেও সাসেক্সের প্রথম কয়েকটা ম্যাচ মিস করবেন মুস্তাফিজ। আইপিএলের লিগ পর্বে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শেষ ম্যাচ ২২ মে। তবে এরই মধ্যে প্লে-অফ নিশ্চিত করে ফেলা সানরাইজার্সের ২৯ মের ফাইনালে থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ওদিকে ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্ল্যাস্টে সাসেক্সের প্রথম ম্যাচ আজ শুক্রবার। পরবর্তী দুটো ম্যাচ ১ ও ৩ জুন। তবে এ দুই ম্যাচে মুস্তাফিজকে পাওয়ার আশা করছে না ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী দলটি। তাদের আশা, ১০ জুন কেন্টের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারবেন ‘ফিজ’।
বিসিবি এখনো কোনো সিদ্ধান্ত না নিলেও লুক রাইট কিন্তু মুস্তাফিজকে পাওয়ার ব্যাপারে প্রায় নিশ্চিত। তবে দলের অন্যতম সেরা অস্ত্রকে যথেষ্ট বিশ্রাম দিয়েই মাঠে নামানোর ইচ্ছা সাসেক্স অধিনায়কের, ‘ফিজ অবশ্যই আসবে। তবে আমাদের বুঝতে হবে যে সে একজন তরুণ খেলোয়াড়। সে নিজের দেশ আর পরিচিত পরিবেশ ছেড়ে দীর্ঘদিন বাইরে আছে। নিজের ভাষায় কথাও বলতে পারছে না। পাশাপাশি তাকে অনেক ম্যাচও খেলতে হচ্ছে। তাই আমরা তাকে যথেষ্ট বিশ্রাম দিতে চাই। তার ফলে মাঠে নামলে তার কাছ থেকে সেরাটাই পাব আমরা।’
যখনই খেলুক, মুস্তাফিজকে দলে পেতে উদগ্রীব লুক রাইট, ‘তাকে চুক্তিবদ্ধ করে আমরা খুব ভালো কাজ করেছি। আমার মনে হয় না ভবিষ্যতে তাকে পাওয়া এত সহজ হবে। যখন কুমার সাঙ্গাকারার মতো কিংবদন্তি বলেন যে সে (মুস্তাফিজ) একজন বিশেষ প্রতিভা, তখন তো তা গ্রাহ্য করতেই হয়।’

স্পোর্টস ডেস্ক