কানাডার গোল উৎসবের প্রথমার্ধে কোনঠাসা কাতার
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে কাতারের ওপর চড়াও হয় কানাডা। একের পর এক আক্রমণের ঝড় বইয়ে দেয় কাতারের রক্ষণে। শুরুতেই লিডও পেয়ে যায় তারা। মাঝে ভুল করে বসে কাতার। সবমিলিয়ে দারুণ উজ্জীবিত ফুটবলে প্রথমার্ধেই বল লিড পেয়েছে কানাডা।
আজ শুক্রবার (১৯ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে কানাডা আর কাতার। আক্রমণাত্মক ফুটবলে প্রথমার্ধ শেষে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে কানাডা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে কাতারের রক্ষণে চাপ তৈরি করে কানাডা। বেশ কয়েকবার আক্রমণেও ওঠে। ফলাফল পেতেও খুব বেশি দেরি হয়নি। ম্যাচের ১৬তম মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। দারুণ শটে বল জালে জড়ান কাইল লারিন।
ম্যাচের ২৯তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করেন জোনাথন ডেভিড। ডানপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণে ওঠে বক্সের অনেকটা বাহির থেকে জোড়াল শট নেন টেজন বুকানন। কাতারের ফুটবলারের গায়ে লেগে সেটি দিক পরিবর্তন করে। সেই বল পেয়ে যান কাছেই থাকা কানাডার জোনাথন। বুলেট গতির ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
২ মিনিট পরই আবারও ভুল করে বসেন কাতারের ডিফেন্ডার হোমাম ইলামিন। আক্রমণে ওঠা টেজন বুকাননকে ফাউল করে বসেন। রেফারি শুরুতে পেনাল্টির বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে হলুদ কার্ড দেখান তাকে। পরে ভিএআর চেক পেনাল্টির সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বক্সের বাইরে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দেন। সেই সঙ্গে হলুদ কার্ড বদলে হোমামকে সরাসরি লালকার্ড দেখান।
দশজনের দলে পরিণত হওয়ার পর কাতারের রক্ষণে আরও বেশি ভীতি ছড়াতে থাকে কানাডা। একের পর এক কাতারের বক্সে ভীতি ছড়াতে থাকে তারা। তবে আর গোল পাওয়া হচ্ছিল না। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এসে সেটিও কাটে। ব্যবধান ৩-০ করে ফেলে কানাডা।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন জোনাথন ডেভিড। বক্সের বামপ্রান্ত থেকে বক্সে ক্রস বাড়ান অ্যালিস্টেয়ার জনস্টন। লাফিয়ে ওঠে দারুণ হেড করেছিলেন কাইল লারিন। কিন্তু সেটি আটকে দেন কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা। তবে বল গ্লাসবন্দি করতে পারেননি তিনি। ফিরতি বল পেয়ে টোকায় জালে জড়িয়ে দেন জোনাথন।

স্পোর্টস ডেস্ক