৪০ বছরের রেকর্ড ভেঙেই কি হারল ব্রাজিল?
নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই দেখা মিলল নাটকীয়তার। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে গোল করলেও অফসাইডের কারণে বাতিল হয় নরওয়ের গোল। এরপর ১৩তম মিনিটে এগিয়ে সূবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু সেটি কাজে লাগাতে পারল না তারা।
বল নিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েছিলেন ম্যাথিউস কুনিয়া। তাকে ফাউল করে বসেন নরওয়ের ডিফেন্ডার। শুরুতে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি না বাজালেও ব্রাজিলের জোড়ালো আবেদনের ফলে ভিডিও অ্যাসিস্টেন্ট রেফারির (ভিএআর) শরাপন্ন হয় হন রেফারি। ভিএআর মনিটর চেক করে সিদ্ধান্ত বদলে পেনাল্টির ঘোষণা দেন রেফারি।
সাধারণত ব্রাজিলের পেনাল্টি নিতে দেখা যায় ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে। এদিনও ভিনি পেনাল্টি নিতে যান। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে শেষ মুহুর্তে সরে আসেন তিনি। পেনাল্টি নেন ব্রুনো গুমায়েরেস। তার দুর্বল পেনাল্টি ঠেকাতে মভুল করেননি নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নাইল্যান্ড।
এই পেনাল্টি মিসের মধ্য দিয়ে ব্রাজিলের দীর্ঘদিনের একটি অনন্য রেকর্ডের সমাপ্তি ঘটে। ১৯৮৬ সালে জিকোর মিসের পর বিশ্বকাপের মূল সময়ে সেলেসাওদের শতভাগ সফল পেনাল্টির ধারা ছিল। এদিন ৪০ বছরের সেই ধারায় ছেদ পড়ল।
ব্রাজিল শেষ পর্যন্ত নরওয়ের কাছে হেরেছে ২-১ গোলের ব্যবধানে। এখন আলোচনায় গুমায়েরেসের পেনাল্টি মিস। তিনি যদি পেনাল্টি মিস না করতেন তাহলে ম্যাচের ফলাফল ভিন্ন কিছু হতে পারত। অন্তত নির্ধারিত সময়ের খেলা সমতায় থাকায় অতিরিক্ত সময়ে গড়াতে পারত ম্যাচ। এরপর অতিরিক্ত সময় কিংবা টাইব্রেকারে ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারত।
ভাগ্যটাও এদিন পাশে ছিল না ব্রাজিলের। একের পর আক্রমণ করেও গোলের দেখা পায়নি তারা। গোলবারের নিচে চীনের প্রাচীর হয়ে ছিলেন নরওয়ের গোলরক্ষক। নিশ্চিত কয়েকটি গোল আটকে দিয়েছেন তিনি। সেই আত্মবিশ্বাসটাও তিনি পেয়েছিলেন সেই পেনাল্টি আটকে দিয়েই।

স্পোর্টস ডেস্ক