এমবাপ্পের গোলে স্বপ্নের পথে ফ্রান্স
সুইডেনের বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। মাঠের খেলায়ও সেই আধিপত্য দেখাল তারা। অবশ্য ম্যাচের শুরুতে সুইডেনই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় দিদিয়ের দেশমের দল। প্রথমার্ধের শেষ দিকে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে যায় ফরাসিরা। কয়েক দফা গোলবারের বাধায় কপাল না পুড়লে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত।
বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় শেষ ৩২- এর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্স ও সুইডেন। প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে ফ্রান্স।
ম্যাচের শুরুতেই চমকে দেওয়ার চেষ্টা করে সুইডেন। দ্বিতীয় মিনিটে ভিক্টর জিওকেরেসের পাস থেকে বক্সের ভেতর সুযোগ পান আলেকজান্ডার ইসাক। তার ডান পায়ের শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মেঁনিয়ান। শুরুতেই গোল হজমের হাত থেকে বেঁচে যায় ফ্রান্স।
এরপর ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় ফ্রান্স। ডান প্রান্তে ওসমান দেম্বেলে এবং মাইকেল অলিসের গতিময় আক্রমণে বারবার চাপে পড়ে সুইডেনের রক্ষণভাগ। অ্যাদ্রিয়েন রাবিও ও অরেলিয়েন চুয়ামেনি মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আক্রমণের গতি বাড়াতে থাকেন।
প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে একবার বল জালে জড়ালেও খুব অল্প ব্যবধানে অফসাইড থাকায় গোলটি বাতিল হয়ে যায়। এরপরও আক্রমণের ধার কমায়নি ফ্রান্স। এমবাপ্পে, অলিসে ও দেম্বেলের একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত সময় পার করতে হয় সুইডিশ গোলরক্ষক জ্যাকব জেটারস্ট্রমকে।
৩২তম মিনিটে জুল কুন্দের নিচু ক্রস থেকে গোলের সামনে একেবারে ফাঁকা অবস্থায় সুযোগ পেয়েছিলেন এমবাপ্পে। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল সুইস ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেটি নিয়ন্ত্রণে নেন জেটারস্ট্রম।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ফরাসিদের ধারাবাহিক চাপের ফল আসে। যোগ করা সময়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে দারুণ এক ফিনিশিংয়ে জালে বল পাঠিয়ে ফ্রান্সকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। গোল হজমের পর আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়নি সুইডেন।
প্রথম ৪৫ মিনিটে সুইডেন পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও ফ্রান্সের রক্ষণভাগ ছিল বেশ সংগঠিত। উইলিয়াম সালিবা, দায়ো উপামেকানো এবং জুল কুন্দে মিলে ইসাক, এলাঙ্গা ও জিওকেরেসকে কার্যকরভাবে আটকে রাখেন। ফলে বিরতিতে ১-০ গোলের লিড নিয়েই মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।

স্পোর্টস ডেস্ক