বিশ্বকাপের হতাশা ঝেড়ে চেহারায় পরিবর্তন ভিনিসিয়াসের
মাঠের পারফরম্যান্স নয়, এবার নিজের বদলে যাওয়া চেহারা নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে ভিনিসিয়াস জুনিয়র। কসমেটিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে থুতনি ও চোয়ালের গঠনে পরিবর্তন এনেছেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা। নতুন লুক দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেক সমর্থক।
বিশ্বকাপ শেষে ব্রাজিলের গোইয়ানিয়ার একটি ক্লিনিকে যান ভিনিসিয়াস। সেখানে তিনি চিন হারমোনাইজেশন নামে পরিচিত একটি কসমেটিক প্রক্রিয়া করান। এর মাধ্যমে বিশেষ ফিলার ব্যবহার করে থুতনি ও চোয়ালের গঠন আরও সুগঠিত ও ভারসাম্যপূর্ণ করা হয়। চিকিৎসার পর প্রকাশিত ছবিতে তার মুখের নিচের অংশে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা যায়।
এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন বিশেষজ্ঞ আলেসান্দ্রো আলারকাও, যিনি এ জন্য মায়ামি থেকে ব্রাজিলে আসেন। যদিও অনেকেই এটিকে অস্ত্রোপচার হিসেবে উল্লেখ করেছেন, বাস্তবে চিন হারমোনাইজেশনে সাধারণত অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় না। ইনজেকশনের মাধ্যমে ফিলার প্রয়োগ করেই মুখের আকৃতিতে পরিবর্তন আনা হয়।
চিকিৎসার পরপরই ভিনিসিয়াসের নতুন ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তার নতুন চেহারার সঙ্গে সাবেক ব্রাজিল ও চেলসি মিডফিল্ডার রামিরেসের মিল খুঁজে পান। বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় নানা রসিকতা, আর সেই আলোচনায় অংশ নেন রামিরেস নিজেও।
বিশ্বকাপে ব্রাজিল শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল ছিলেন ভিনিসিয়াস। পাঁচ ম্যাচে চার গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে তিনি ছিলেন দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। তবে টুর্নামেন্টে নরওয়ের কাছে হেরে ১৯৯০ সালের পর সবচেয়ে দ্রুত বিদায় নিতে হয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
মাঠের বাইরের এই পরিবর্তনের পাশাপাশি ভিনিসিয়াসের ক্লাব ভবিষ্যৎ নিয়েও চলছে জোর আলোচনা। তার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আর মাত্র এক বছর বাকি থাকায় দলবদলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। যদিও রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ জানিয়েছেন, ক্লাব ও খেলোয়াড় উভয় পক্ষই একসঙ্গে পথচলা অব্যাহত রাখতে আগ্রহী।

স্পোর্টস ডেস্ক