এনএসসির কাছ থেকে দুটি মাঠের দায়িত্ব পেল বাফুফে
দেশের মাঠগুলোর তদারকির দায়িত্ব জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি)। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অধীনে আছে অল্প কিছু মাঠ। যে কারণে দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মানের মাঠের সংকটে ভুগছিল বাফুফে। এমনকি ঠিকমতো লিগও আয়োজন করতে পারছিল না তারা। আবার নিজেদের তত্ত্বাবধানে না থাকায় অন্যান্য মাঠগুলো সংস্কারও করে নিতে পারছিল না বাফুফে।
এবার কিছুটা হলেও সেই সংকট কাটল। বাফুফেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি মাঠের রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ও পরিচর্যার দায়িত্ব দিয়েছে এনএসসি। আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটরিয়ামে উভয় পক্ষের মধ্যে আয়োজিত এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বাফুফের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার আর এনএসসির পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া পরিচালক। বাফুফেকে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া মাঠ দুটি হলো কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম আর সিলেট জেলা স্টেডিয়াম।
এনএসসির চেয়ারম্যান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘আমি প্রথম দিন থেকেই একটি কথা বলে আসছি—আমরা শূন্য থেকে শুরু করতে চাই। সেই শূন্য থেকে আমরা শুরু করেছি। ধাপে ধাপে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছি আমরা। আজকে তারই একটি প্রতিফলন হচ্ছে যে, বাফুফের সঙ্গে এনএসসির এই চুক্তি স্বাক্ষর।’
কমলাপুর ও সিলেট স্টেডিয়ামকে নতুনভাবে সাজানোর কথা জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘কমলাপুর স্টেডিয়াম এবং সিলেট জেলা স্টেডিয়াম, যেখানে হাইব্রিড গ্রাস লাগানো হবে। আমরা সেই মাঠটি দেখার অপেক্ষায় রইলাম।’
এই স্টেডিয়াম দুটিতে বাফুফে কী কী দায়িত্ব পেয়েছে সেটি জানিয়ে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘এই স্টেডিয়াম দুটির রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ও ছোটখাটো সংস্কারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমাদের। বড় কোনো সংস্কার প্রয়োজন হলে সেটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ করবে।’
এই স্টেডিয়ামের দায়িত্ব বাফুফেকে দেওয়া হলেও অন্যান্য ফেডারেশনগুলোও এই স্টেডিয়াম দুটি ব্যবহার করতে পারবে। বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘বাফুফে ছাড়াও অন্যান্য ফেডারেশনও এই কমলাপুর ও সিলেট জেলা স্টেডিয়াম ব্যবহার করতে পারবে। নিরাপত্তা ও অন্যান্য দায়িত্ব থাকায় বাফুফে তাদের সহযোগিতা করবে।’

ক্রীড়া প্রতিবেদক