প্রতিরোধ গড়েও দ. কোরিয়ার বিপক্ষে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে বাংলাদেশ
প্রথম ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বিধ্বস্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে পাঁচ পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। পুরোপুরি সফল না হলেও প্রথমার্ধ পর্যন্ত প্রথম ম্যাচের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে দেয়নি আফঈদা-শিউলি আজিমরা। বেশ ভালোই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে বাংলাদেশের ডিফেন্স।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) চীনের নাগাই স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধ শেষে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।
দক্ষিণ কোরিয়াও শক্তি-সামর্থ, ফুটবলীয় ঐতিহ্য এবং অতীত ইতিহাসে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে। মাঠের খেলায়ও দেখা মিলল সেটার। প্রথমার্ধে বল দখলের লড়াইয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। ৭৯ শতাংশ বল দখলে রেখে গোলের জন্য ৫টি শট নিয়েছে তারা। এর মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ৪টি।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে দক্ষিণ কোরিয়া। গোল পেতেও তাদের খুব বেশি দেরি হয়নি। ম্যাচের ১৬তম মিনিটে লিড নেয় দক্ষিন কোরিয়া। জি সো-ইয়ুন এর পাস থেকে বল পেয়ে গোল করেন কিম মিন-জি।
এরপর রক্ষণে আরও বেশি সতর্ক হয় বাংলাদেশ। তবুও আরও একবার বাংলাদেশের জালে বল জড়িয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া। কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় সেটি।
তবে প্রথমার্ধের শেষদিকে আরও একটি গোল হজম করে বাংলাদেশ। ৪২তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ান জিয়ং দা-বিন। এরপর আর কোনো গোল না হলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় দক্ষিণ কোরিয়া।

স্পোর্টস ডেস্ক