নতুন অর্থবছরের কৌশলগত রোডম্যাপ ঘোষণা ডিএক্স গ্রুপের
স্মার্টফোন, কনজিউমার ইলেকট্রনিকস, এআইওটি, বৈদ্যুতিক যান (ইভি) ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের মাল্টি-ইন্ডাস্ট্রি কনগ্লোমারেট ডিএক্স গ্রুপ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কৌশলগত রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে।
এ উপলক্ষে শনিবার (১১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি রিটেইল, ডিস্ট্রিবিউশন, সার্ভিস ও মার্কেটিং বিভাগের প্রধানদের নিয়ে ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের স্ট্র্যাটেজি মিট’ আয়োজন করে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব, পরিচালনাগত দক্ষতা এবং সুশৃঙ্খল আর্থিক ব্যবস্থাপনার ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী মাল্টি-ভার্টিক্যাল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পথে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
সভায় ডিএক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান কানন, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পার্টনারশিপ) মি. জেসন, অপারেশনস ডিরেক্টর লিটন বিশ্বাস, সেলস ডিরেক্টর লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইয়্যেদিস সাকলায়েন, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা নূরনবী ভূঁইয়া এবং প্রধান সাপ্লাই চেইন কর্মকর্তা আরিফুর রহমান-সহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমানে ডিএক্স গ্রুপ স্যামসাং, শাওমি, হুয়াওয়ে, টিসিএল, আইমা, লুইয়ান ও জুলংসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করছে। প্রতিষ্ঠানটি দেশের ৭০ হাজারের বেশি খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে সেবা দিচ্ছে। পাশাপাশি ১০০টির বেশি ব্র্যান্ডেড শপ পরিচালনা করছে এবং ২ হাজারের বেশি কর্মীর মাধ্যমে ৪০টির বেশি সার্ভিস সেন্টারের সহায়তায় বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করছে।
নতুন অর্থবছরের রোডম্যাপে স্মার্টফোন, কনজিউমার ইলেকট্রনিকস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সম্প্রসারণ, শক্তিশালী ফাইভ-চ্যানেল কৌশল বাস্তবায়ন এবং কেপিআইভিত্তিক নেতৃত্বের মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
ডিএক্স গ্রুপের মতে, এই রোডম্যাপ দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিকে আরও শক্তিশালী করবে। এর মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি, মূলধনের দক্ষ ব্যবহার এবং ব্যবসায়িক ইকোসিস্টেমের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি দেশের ইলেকট্রনিকস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং অংশীদারদের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই স্ট্র্যাটেজি মিট তাদের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করেছে। এর লক্ষ্য উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করা, বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সম্প্রসারণে গতি আনা এবং বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস ও নতুন জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ নির্মাণে ভূমিকা রাখা।

নিজস্ব প্রতিবেদক