রেকর্ড ১০৬ দলের অংশগ্রহণে শুরু দেশের বড় ভিএলএসআই প্রতিযোগিতা
দেশের সবচেয়ে বড় ভিএলএসআই প্রতিযোগিতা ‘ভিএলএসআইথন ৩.০’ শুরু হয়েছে। এবারের আসরে দেশের ৩০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রেকর্ড ১০৬টি দলের প্রায় ২১০ জন প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছেন।
গতকাল শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) ক্যাম্পাসে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
এবারের প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো যুক্ত হয়েছে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ডোমেইন ‘প্লেস অ্যান্ড রাউট’ বা পিএনআর। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপে বাছাই, প্রশিক্ষণ কর্মশালা, কেস বিশ্লেষণ ও সমাধান এবং নিজস্ব ধারণা উপস্থাপনের মাধ্যমে সেরা দলগুলোকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য নির্বাচিত করা হবে।
বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের প্রতিষ্ঠান উল্কাসেমির আয়োজনে এবং উল্কাসেমি ভিএলএসআই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে সহযোগিতা করছে এআইইউবি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, ভিএলএসআইথনে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ প্রমাণ করে দেশের তরুণদের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প নিয়ে আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে। ভবিষ্যতে এ খাতে দক্ষতা অর্জন ও ক্যারিয়ার গড়ার আরও বড় সুযোগ তৈরি হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উল্কাসেমির সিইও ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান বলেন, ১০৬টি দলের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের তরুণদের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে নিজেদের প্রস্তুত করার আগ্রহের প্রমাণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ আধুনিক প্রযুক্তির ভিত্তি সেমিকন্ডাক্টর চিপ হওয়ায় এ খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা জরুরি।
তিনি জানান, আগামী বছরগুলোতে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর বাজারের আকার প্রায় ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা ও নীতিগত সহায়তা পেলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর খাত মাল্টি-বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দিনব্যাপী কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ইডিএ টুল ব্যবহারে দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়। আগামী ১৫ আগস্ট মূল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিজয়ী দলগুলোর জন্য মোট দুই লাখ টাকা মূল্যমানের পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক