বইমেলায় কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিশা!

Looks like you've blocked notifications!
সিনথিয়া ইসলাম তিশা। ফাইল ছবি

অমর একুশে বইমেলায় কয়েকদিন ধরে আলোচনায় আছেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ ও তার স্ত্রী সিনথিয়া ইসলাম তিশা। স্বামীর লেখা বই প্রচারে প্রথম দিকে বেশ আনন্দেই কাটছিল তাদের। হঠাৎই বইতে শুরু করে সমালোচনার ঝড়। এরইমধ্যে গত ৯ ফেব্রুয়ারি তাদেরকে মেলা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে দাবি করে সেই ঝড় হয়ে ওঠে শক্তিশালী। ছড়িয়ে পড়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যদিও মুশতাক দাবি করেন, তাদের বের করে দেওয়া হয়নি। আর গণমাধ্যমকে তিনি জানান, আজ সোমবার (১২ ফ্রেব্রুয়ারি) ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটের গেট দিয়ে বইমেলায় প্রবেশ করবেন।

পরে বইমেলায় আসেন এই দম্পতি। এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন সিনথিয়া ইসলাম তিশা। কান্নারত অবস্থায় বলেন, আমাদেরকে তারা কি বাঁচতে দেবে না? কেন এমনসব কথা বলবে তারা?’ ‘আমারও ইচ্ছে করে বিভিন্ন স্টলে গিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখতে’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি অনেক বই পড়ি, সায়েন্স ফিকশন পড়ি। কিন্তু সেই সুযোগটা পাই না। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

এর আগে গণমাধ্যমকে মুশতাক বলেছিলেন, তার মেলায় যাওয়ার পরিবেশটা বাংলা একাডেমির নিশ্চিত করা উচিত। এ বিষয়ে তিনি বাংলা একাডেমির সঙ্গে কথা বলবেন। আর পুলিশ যদি সহায়তা করে তাহলে পুলিশের সাহায্য নিয়ে মেলায় যাবেন।

খন্দকার মুশতাক আহমেদ বলেন, চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে আমাকে বইমেলা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনা তা নয়, আমাকে ক্রমাগত উত্ত্যক্ত করা হয়েছে। আমার বই ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। আমাকে বাজে কথা বলা হয়েছে। কটু স্লোগান দেওয়া হয়েছে। মেলার পরিবেশ রক্ষার্থেই আমরা বেরিয়ে এসেছি।

এক সাক্ষাৎকারে তিশা বলেন, একটা বই না পড়ে কি বলতে পারি, সেটি ভুয়া। তিনি জানান, সেদিন আমাদের একটি দাওয়াত ছিল। এজন্য আনসারদের সহযোগিতায় মেলা থেকে বেরিয়ে আসি।

তিশা বলেন, আনসার সদস্যরা আমাদের প্রোটেকশন দিয়ে বের হতে সহযোগিতা করেন। কিন্তু নিউজ হয়েছে, বিতারিত করা হয়েছে। আমাদের বিতারিত করলে বাংলা একাডেমি বা প্রশাসন করবে। কিন্তু তারা কি তা করেছে?