রাবি শিক্ষার্থী সিফাত হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও গৃহবধূ ওয়াহিদা সিফাত হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৩-এ সাক্ষ্য দিয়েছেন অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তা রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমদ আলী। তিনি এ মামলার অভিযোগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহম্মেদ আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষাকরণের তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এরপর যুক্তিতর্কের দিন নির্ধারণ শেষে চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৩-এর বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট মাহবুব আহমেদ। তাঁকে সহায়তা করেন বাদীপক্ষের আরো কয়েকজন আইনজীবী। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট হামিদুল হকসহ কয়েকজন।
সাক্ষ্যগ্রহণকালে মামলার আসামি সিফাতের স্বামী মোহাম্মদ আসিফ ওরফে পিসলী, শ্বশুর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন রমজান, শাশুড়ি নাজমুন্নাহার নাজলী ও প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. জোবাইদুর রহমান আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
গত বছরের ২৯ মার্চ সন্ধ্যায় রাজশাহী মহানগরের মহিষবাথান এলাকায় অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন রমজানের বাড়িতে মৃত্যু হয় গৃহবধূ ওয়াহিদা সিফাতের। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় মহানগরীর রাজপাড়া থানায় হত্যা মামলা করেন সিফাতের চাচা মিজানুর রহমান খন্দকার। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা এ মামলায় যৌতুকের দাবিতে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ জুলাই মামলাটি রাজশাহী থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৩-এ স্থানান্তর করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

শ. ম সাজু, রাজশাহী