শ্বশুরবাড়ি থেকে জামাতা-নাতনির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, শ্বশুর আটক
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে শ্বশুরবাড়ি থেকে জামাতা ও নাতনির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর দুলাল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ভুবনকুড়া ইউনিয়নের আমিরখাকুড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- রতন মিয়া (৩৫) ও তার মেয়ে নূরিয়া খাতুন (৭)। এ সময় আহত হন রতনের স্ত্রী জুলেখা বেগম (২৭)। আহত জুলেখাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, প্রায় ১০ বছর আগে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় এলাকার আমির হোসেনের ছেলে রতনের সঙ্গে হালুয়াঘাটের আমিরখাকুড়া গ্রামের দুলাল মিয়ার মেয়ে জুলেখা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই রতন শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করছিলেন।
দুই বছর আগে জুলেখা বিদেশে (দুবাই) পাড়ি জমান। পরে ছুটিতে দেশে ফিরে স্বামীর সঙ্গে কিছুদিন থাকার পর আবারও বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু রতন তাকে বিদেশ যেতে না করার পরামর্শ দিলে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হয়।
রতনের পরিবারের অভিযোগ, এই কলহের জের ধরে মঙ্গলবার রাতে শ্বশুর দুলাল মিয়া ও শাশুড়ি মিলে রতন ও তার মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করেন।
হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

আইয়ুব আলী, ময়মনসিংহ