Skip to main content
NTV Online
Dektop Mobile

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ
  • অ ফ A
  • রাজনীতি
  • সরকার
  • অপরাধ
  • আইন ও বিচার
  • দুর্ঘটনা
  • সুখবর
  • অন্যান্য
  • হাত বাড়িয়ে দাও
  • মৃত্যুবার্ষিকী
  • শোক
  • কুলখানি
  • চেহলাম
  • নিখোঁজ
  • শ্রাদ্ধ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
Follow
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
মোঃ জাকের হোসেন (Md Zaker Hossain)
০৮:০০, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
আপডেট: ১৮:০২, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
মোঃ জাকের হোসেন (Md Zaker Hossain)
০৮:০০, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
আপডেট: ১৮:০২, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
আরও খবর
কোম্পানীগঞ্জে যুবদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ, বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর
টানা পঞ্চমবার সাফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন
আয়নাঘর পরিদর্শনে গিয়ে কাঁদলেন তুলি
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হচ্ছে ভিসা বন্ড কর্মসূচি
নিখোঁজের দুদিন পর নদীতে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মরদেহ

কেউ বলল রাজকন্যা, কেউ লাল টুকটুকে মেয়ে!

মোঃ জাকের হোসেন (Md Zaker Hossain)
০৮:০০, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
আপডেট: ১৮:০২, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
মোঃ জাকের হোসেন (Md Zaker Hossain)
০৮:০০, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
আপডেট: ১৮:০২, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত‍্যুকালে দেশের জনপ্রিয় এই নেত্রীর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালে জলপাইগুড়ির ছোট্ট এক শহরে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব-কৈশোরের আনন্দঘন দিন আর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তিনি যোগ দেন রাজনীতিতে। এরপর দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় কেটে যায় রাজনীতির মাধ্যমে দেশসেবায়।

কেমন ছিল আপসহীন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শৈশব ও কৈশোর? সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমদের ‘নন্দিত নেত্রী খালেদা জিয়া’ বইয়ে তাঁর জীবনের নানা ধাপ উঠে এসেছে শৈল্পিক বর্ণনায়।

১৯৯১ সালে প্রকাশিত বইটিতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৪৫ সাল। বিশ্বশান্তির বিরল এক মুহূর্ত এবং একটি জন্ম। জলপাইগুড়ির একটি ছোট্ট শহরের মজুমদার বাড়িতে সেদিন খুশির বন্যা। সেখানে ইস্কান্দর মজুমদার ও বেগম তৈয়বা মজুমদারের একটি কন্যা সন্তান জন্মলাভ করে। দেখতে সে তার মা-বাবার মতোই। দুধে-আলতা গায়ের রং। ভূমিষ্ঠ হয়েই কাঁদছিল।

এ বাড়িতে নতুন শিশু আসবে সবাই তা জানত। তাই নতুন শিশুর জন্য পেয়ালায় আগে থেকেই রাখা ছিল মধু। বৃদ্ধ ধাত্রী শিশুর মুখে মধু তুলে দিতেই কান্না থেমে গেল। এরপর শান্ত শিশু বড় বড় চোখে তাকাল এদিক-ওদিক। দেখল এক রহস্যময় পৃথিবী।

তখন শরতের স্নিগ্ধ ভোর। নতুন শিশুর আগমনে পরিবারের সবাই আনন্দিত। শিশুর বড়বোন খুরশীদ জাহান আঁতুড় ঘরে গিয়ে দেখল সদ্যোজাত বোনকে। খুশিতে সে দিশেহারা। ছোট বোন বিউটি তখনও ঘুমিয়ে। খুরশীদ দৌড়ে গেল তার কক্ষে। ঘুম থেকে ডেকে তুলল তাকে। বলল, দেখ এসে বিউটি, আমাদের কি সুন্দর বোন হয়েছে! আকস্মিক খবরে ছোট্ট বিউটি হকচকিয়ে গেল। ওর বয়স তখন আড়াই বছর। চোখ কচলাতে কচলাতে সেও গেল আঁতুড়ঘরে। নতুন বোনকে দেখে মহাখুশি। আবেগে বলেই ফেলল—‘ওটা আমার পুতুল। আমি ওর সঙ্গে খেলব।’

খুশিতে বাবা ইস্কান্দর মজুমদার দোকানে গেলেন মিষ্টি আনতে। পাশের বাড়ির বউ-ঝিরাও এলো মজুমদার বাড়িতে। এলো নতুন শিশুকে দেখতে। শিশুকে দেখে কেউ বলল রাজকন্যা, কেউ বলল লাল টুকটুকে মেয়ে! তারা কামনা করল নতুন শিশুর দীর্ঘজীবন।

খুশির খবর পেয়ে মজুমদার সাহেবের বন্ধু ডাক্তার অবনী গুহ নিয়োগিও গেলেন ওই বাড়িতে। তিনি মজুমদার সাহেবের শুধু বন্ধুই নন, এ বাড়ির নিয়মিত চিকিৎসকও। উঠান থেকেই ডাকলেন মজুমদার সাহেবকে। বললেন, আগে মিষ্টি চাই। মেয়ে এমন সময় জন্ম নিয়েছে যখন সর্বত্র শান্তি। এই মেয়ের নাম রেখে দাও ‘শান্তি'। 

১৯৪৫ সালটিকে বলা যায় নতুন এক পৃথিবী। সবেমাত্র বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকা থেকে দুনিয়া মুক্ত হয়েছে। চারদিকে শান্তির জয়গান। শান্তির বাণী নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় বের হচ্ছে মিছিল। যুদ্ধ নয়, শান্তি—এ চুক্তি স্বাক্ষর করতে উদ্যোগী নেতারা। এমন পরিবেশেই জন্ম নিলেন খালেদা জিয়া।

আরও পড়ুন : আপসহীন নক্ষত্রের বিদায়

মায়ের কোলে, বোনদের আদরে বড় হতে থাকলেন খালেদা জিয়া। একদিন-দুদিন করে তার বয়স হলো সাত দিন। এবার নাম রাখার পালা। চলল নানা আয়োজন। ভালো খাবারের আয়োজন করা হলো। আত্মীয়-স্বজনকে দাওয়াত দেওয়া হলো। এভাবেই সম্পন্ন হলো তার আকিকা। সেদিন বাবা তার তৃতীয় কন্যার নাম রাখলেন খালেদা খানম। সন্তানদের নাম সাধারণত তিনিই রাখতেন। বিপত্তি দেখা দিল ডাকনাম নিয়ে। কী নামে ডাকা হবে তাকে? শান্তি, টিপসি না পুতুল? শান্তি নামটি পছন্দ করেছেন পারিবারিক চিকিৎসক ডাক্তার অবনী গুহ নিয়োগি। টিপসি নামটি দিয়েছিলেন বাবা ইস্কান্দর মজুমদার। আর পুতুল নামটি আগেই দিয়ে রেখেছে মেজো বোন বিউটি। অবশেষে বিউটিরই জয় হলো। তার পছন্দ করা পুতুল নাম রাখার সিদ্ধান্ত হলো। খালেদা জিয়ার ডাকনাম সেদিন থেকেই পুতুল।

খালেদা জিয়া যখন জন্ম নিলেন, জলপাইগুড়ি তখন এক শান্ত-স্নিগ্ধ শহর। সেই শহরের মধুময় স্মৃতি মনে আছে খালেদা জিয়ার মা বেগম তৈয়বা মজুমদারের। সৈয়দ আবদাল আহমদ বইতে উল্লেখ করেন, ১৯৯০ সালে তাঁর সাক্ষাৎকার নিচ্ছি। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও তার চোখে এখনও ভেসে ওঠে জলপাইগুড়ি, ভেসে ওঠে সন্তানদের জন্মের স্মৃতি– ‘জলপাইগুড়িতে আমাদের বাড়িটি ছিল গাছগাছালিতে ভরা। ভোরে ঘুঘু, বউ কথা কও প্রভৃতি পাখির ভৈরবী আলাপে আমরা শয্যাত্যাগ করতাম। এক ধরনের পাখির ডাকে আমরা বুঝতাম এখন মাগরিবের আজানের সময় হয়েছে। রাতে কুরুয়া পাখির ডাকে বুঝতাম এখন মধ্যরাত। আবার রোজার দিনে মোরগের ডাকে আমরা সেহরি খেতে উঠতাম।’ কথাগুলো বলতে বলতে বেগম তৈয়বা মজুমদার হারিয়ে যান সেই জলপাইগুড়িতে– ‘আমাদের বাড়িটি ছিল টিনের চালার। কোনো পুকুর ছিল না। ছিল একটি গভীর কূপ। লম্বা দড়িতে বালতি বেঁধে পানি তোলা হতো। সেই পানিতেই রান্নাবান্না, গোসল ও খাবারের কাজকর্ম চলত। এর পানি ছিল স্বচ্ছ ও ঠান্ডা।’

তৈয়বা মজুমদারের ভাষ‍্যে, আমাদের বাড়ির এক পাশে ছিল একটি বাগান। আমরা এর নাম দিয়েছিলাম ‘কিচেন গার্ডেন’। গোলাপ, গাঁদা, বকুল প্রভৃতি ফুলে বাগানটি ছিল অপূর্ব। সে সময় সস্তায় নানা খাবার পাওয়া যেত। ফলমূলের অভাব ছিল না। খালেদা জিয়ার জন্মের স্মৃতিও মনে আছে বেগম তৈয়বা মজুমদারের।

‘পুতুলের জন্মের আগে যুদ্ধের খুব বিভীষিকা ছিল। মানুষ শুধু যুদ্ধেরই গল্প করত। পুতুলও জন্ম নিল, যুদ্ধও থেমে গেল। আমাদের পারিবারিক ডাক্তার অবনী গুহ এবং প্রতিবেশীরা বলত, পুতুল খুব সৌভাগ্যবান। আমার খুব আনন্দ লাগত। পুতুলের যেদিন জন্ম হলো, সেদিন থেকেই আমার মেজো মেয়ে বিউটি ওকে পুতুল নামে ডাকতে শুরু করল। বিউটির মাটির একটি পুতুল ছিল। একদিন পুতুলটির হাত-পা ভেঙে যায়। ফলে বিউটি খুব কান্নাকাটি করেছে। এর পরই আমার ছোট মেয়ে জন্ম নেয়। বিউটি মাটির পুতুলের কথা ভুলে যায়। বিউটি তখন থেকেই পুতুলকে নিয়ে সারাক্ষণ খেলত। পুতুল ছিল ওর সারাক্ষণের খেলার সাথী।’

খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দর মজুমদার লেখাপড়ার জন্য ফেনী থেকে জলপাইগুড়ি যান। সেখানে মেট্রিক পাস করার পর তিনি চা ব্যবসায়ে জড়িয়ে পড়েন। তার বাড়ি ফেনীর শ্রীপুর থানার ফুলগাজী গ্রামে। ফুলগাজীর বিখ্যাত মজুমদার পরিবারের সন্তান তিনি। ১৯০৫ সালের ২৫ আগস্ট তার জন্ম। খালেদা জিয়ার দাদা হাজি সালামত আলী ছিলেন অত্যন্ত ধার্মিক মানুষ। তিনি ছিলেন দীর্ঘদেহী, গায়ের রং ছিল ফর্সা। এলাকার মানুষ তাঁকে দরবেশ হিসেবেই আখ্যায়িত করত। তিনি যেমন ছিলেন দানশীল, তেমনি পরহেজগার। শেষ বয়সে সারাক্ষণ তিনি মসজিদেই কাটাতেন। নামাজ, তাসবিহ-তাহলিল এবং আল্লাহর জিকিরেই নিয়াজিত থাকতেন। হাজি সালামত আলীর পাঁচ ছেলে দুই মেয়ে। ছেলেমেয়েদের মধ্যে সায়েরা খাতুন সবার বড়। এর পরই খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দর মজুমদার। তারপর মোকাদ্দেস হোসেন মজুমদার, আওলাদ হোসেন মজুমদার, জামশেদ হোসেন মজুমদার, রওশন আরা বেগম ও দেলায়ার হোসেন মজুমদার। সায়েরা খাতুনকে পাশের গ্রাম মুন্সীরহাট দরবার বাড়িতে বিয়ে দেওয়া হয়। তার স্বামী ফজলুর রহমান জলপাইগুড়ি চা বাগানে চাকরি করতেন। জলপাইগুড়িতে বোন ও দুলাভাইয়ের কাছে থাকার জন্য ছোটবেলা থেকেই ইস্কান্দর মজুমদার বাবাকে বলতেন।

অবশেষে ১৯১৯ সালে বাবা ইস্কান্দর মজুমদারকে জলপাইগুড়ি যাওয়ার অনুমতি দেন। তখন তিনি অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। বোনের কাছে থেকেই তিনি মেট্রিক পাস করেন। পরে চা বাগানে তার চাকরি হয়। কিন্তু কিছু দিন পর চাকরি ভালো না লাগায় ছেড়ে দেন। জড়িয়ে পড়েন চায়ের ব্যবসায়। একবার তিনি টি-প্ল্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদকও নির্বাচিত হন।

জলপাইগুড়িতে বেগম তৈয়বা মজুমদারের সঙ্গে ইস্কান্দর মজুমদারের পরিচয়। ১৯৩৭ সালের ১৯ মার্চ জলপাইগুড়িতেই তাদের বিয়ে হয়। তৈয়বা মজুমদার বোদা চন্দনবাড়ির মেয়ে। বোদা আগে জলপাইগুড়ি জেলার অন্তর্গত ছিল। বর্তমানে এটি পঞ্চগড় জেলায় পড়েছে। এ পরিবার বিখ্যাত ‘টি-ফ্যামিলি' নামে পরিচিত।

খালেদা জিয়ার দুই বছর বয়সের সময় বাবা ইস্কান্দর মজুমদার জলপাইগুড়ি থেকে দিনাজপুরে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। জলপাইগুড়ি ছিল অবিভক্ত বাংলার রাজশাহী বিভাগের একটি জেলা। বর্তমানে এটি ভারতের অন্তর্গত। দেশ বিভাগের সময় ইস্কান্দর মজুমদার ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফলে তিনি দিনাজপুরে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেন। তার জলপাইগুড়ির বাড়িটি বেহাত হয়ে যায়। দিনাজপুরে এসে আবার তিনি ব্যবসা শুরু করেন। পরে দিনাজপুর মুদিপাড়ায় জায়গা কিনে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। দিনাজপুরের বাড়িটি খালেদা জিয়ার মায়ের নামে। দুই তলা বাড়িতে তারা কেউ থাকেন না। দুটো কক্ষ নিজেদের ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছে। এ দুটো কক্ষ ছাড়া পুরো বাড়িই দুস্থ মহিলাদের প্রশিক্ষণের জন্য দেওয়া হয়েছে। ১০০ দুস্থ মহিলাকে এখানে সেলাই, বাঁশ, বেত দিয়ে নানা জিনিসপত্র তৈরি এবং অন্যান্য হাতের কাজ শেখানো হতো। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বেগম তৈয়বা মজুমদার এটি পরিচালনা করতেন।

ইস্কান্দর মজুমদারের ফেনীর ফুলগাজী গ্রামের বাড়িটিও খুব সুন্দর। বাড়ির সামনে বিশাল দীঘির পাড়ে গম্বুজওয়ালা মসজিদ ও টিনের বাংলোঘর। ভেতরের প্রশস্ত উঠানওয়ালা বাড়ি। বাড়িতে তিনটি ঘর। একটিতে থাকতেন চাচা জামশেদ হোসেন মজুমদারের পরিবার, অপরটিতে তার ছেলেমেয়ে। একটি টিনের ঘর খালি পড়ে আছে। এটাই খালেদা জিয়ার পিতৃভিটা।

যুদ্ধের সঙ্গে খালেদা জিয়ার যেন কোথায় একটা যোগসূত্র রয়েছে। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলো, খালেদা জিয়াও জন্ম নিলেন। ঠিক তেমনি ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াও নির্বাচনে বিজয়ী হলেন, একই দিন ভয়াবহ উপসাগরীয় যুদ্ধও থেমে গেল। শুধু তাই নয়, ১৯৬৫ সালে তার স্বামী জিয়াউর রহমান পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধে অংশ নিয়ে কৃতিত্ব দেখান। তখন তাঁর বিয়ের মাত্র পাঁচ বছর। ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রামে তার স্বামী মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে দেশ স্বাধীন হয়।

জীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ করেছেন খালেদা জিয়া নিজেই। ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত দীর্ঘ নয় বছরের আপসহীন সংগ্রামে তিনি স্বৈরাচার এরশাদকে পতনে বাধ্য করেন। এর পরই আসে তার বিজয়। হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের গণমানুষের নেত্রী।

খালেদা জিয়া বিএনপি শোক ভিডিও সংবাদ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: খালেদা জিয়া

২৭ এপ্রিল ২০২৬
খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা : লাভলুর জামিন বাতিল
০৭ মার্চ ২০২৬
‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন খালেদা জিয়া
১৭ জানুয়ারি ২০২৬
খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী রাষ্ট্রনায়ক : ড. মঈন খান
  • আরও
সর্বাধিক পঠিত
  1. ৭ বছরের শিশুকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ, মাদ্রাসা শিক্ষক আটক
  2. এবার জৈন্তাপুরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ, পুলিশ বলছে কিছুই ঘটেনি
  3. দেশের ৮ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা
  4. সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল ভারতীয় মালামাল জব্দ
  5. ঢাকা মেডিকেলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন মির্জা আব্বাস
  6. ট্রাকচাপায় একই পরিবারের তিন জন নিহত

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Browse by Category

  • About NTV
  • Career
  • NTV Programmes
  • Advertisement
  • Web Mail
  • NTV FTP
  • Satellite Downlink
  • Europe Subscription
  • USA Subscription
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
  • Contact
  • Archive
  • My Report

NTV Prime Android App

Find out more about our NTV: Latest Bangla News, Infotainment, Online & Live TV

Qries

Reproduction of any content, news or article published on this website is strictly prohibited. All rights reserved

x