সূর্যের দেখা মিললেও দিনাজপুরে কমেনি শীতের তীব্রতা
হিমালয়ের পাদদেশঘেঁষা জেলা দিনাজপুরে শীতের তীব্রতা দিন দিন আরও প্রকট হচ্ছে। ডিসেম্বরের শেষ প্রান্তে এসে কনকনে ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা ও বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর হওয়ার আগেই জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার সঙ্গে যুক্ত হওয়া হাড়কাঁপানো ঠান্ডা সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও হিমেল বাতাসের কারণে শীতের দাপট কমেনি। তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। ভোরে হাড়কাঁপানো ঠান্ডার কারণে কাজে বের হতে না পারায় নিম্নআয়ের এই মানুষদের দৈনন্দিন উপার্জনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা ছিল প্রায় ৯১ শতাংশ, যা ঠান্ডার অনুভূতিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল জানান, রোদ উঠলেও ঠান্ডার তীব্রতা কমেনি, বরং বেলা গড়ানোর সাথে সাথে ভোগান্তি আরও বাড়ছে।
দিনমজুর শাহীন আক্ষেপ করে বলেন, দুপুরে রোদে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গেলেও বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় কনকনে ঠান্ডা শুরু হয়।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. তোফাজ্জল হোসেন জানান, আজ সূর্যের দেখা মিললেও রাতের দিকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। সামগ্রিকভাবে এই অঞ্চলে শীতের প্রকোপ এখনই কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

মাসুদ রানা, দিনাজপুর (বীরগঞ্জ-খানসামা)