শহীদদের আকাঙ্ক্ষার রাষ্ট্র গঠনে বিএনপি অঙ্গীকারবদ্ধ : সালাহউদ্দিন আহমদ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, স্বাধীনতার পরে এবার সবচেয়ে বেশি আইন প্রণয়নকারী সংসদ হবে। জন-আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে আমাদের শহীদদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি প্রত্যাশিত রাষ্ট্র গঠনে বিএনপি অঙ্গীকারবদ্ধ।
আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা সমগ্র দেশবাসীর সহযোগিতা চাই, গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাই। রাষ্ট্রের সব স্তরে যে যেখানে দায়িত্ব পালন করছেন, সবার সহযোগিতা চাই।
বিএনপির এই নেতা বলেন, সাম্যের মানবিক মর্যাদা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমরা তিনটি জিনিসকে সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং দুর্নীতি নির্মূল করা।
দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সারা বিশ্ব অপেক্ষা করেছিল। আমরা আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছি। দেশের জনগণের প্রতি শুকরিয়া আদায় করেছি, তারা দল বেঁধে ভোট দিয়েছে এবং ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, এ বিজয় আমাদের প্রত্যাশিত ছিল। কারণ, আমাদের নেতা তারেক রহমান যেখানে গিয়েছেন মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরে যেই অভ্যর্থনা পেয়েছেন, সেটা নজিরবিহীন। আমরা তখনই এদেশের মানুষের মন বুঝতে পেরেছি, তারা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে গণতান্ত্রিকভাবে বাংলাদেশে শক্তিশালী গণতন্ত্রের ভিত্তি রচনা করার জন্য অপেক্ষা করছে।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক যে যাত্রা শুরু হলো, তা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। সব রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার ও সংবিধানের কাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক সংস্কার করা হবে, এটা আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ছিল।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অনেক আগে থেকেই আমরা আমাদের ইশতেহার প্রণয়ন করেছি। ইতোমধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মধ্য দিয়ে একটি রাজনৈতিক সমজোতা হয়েছে। এই রাজনৈতিক সমজোতার দলিল আমরা অক্ষর অক্ষরে পালন করব।
নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে গ্যাজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণা করবেন এবং তারপর থেকে ক্ষণ গণনা শুরু হবে। সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিষয়টি সাংবিধানিকভাবেই হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক