মন্ত্রী হয়ে প্রথমবার নিজ এলাকায় কায়সার কামাল, উচ্ছ্বসিত এলাকাবাসী
সরকারের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ নির্বাচনি এলাকা নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এলেন নবনিযুক্ত ভূমি প্রতিমন্ত্রী এবং নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাকে গার্ড অব অনার প্রদানের মাধ্যমে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ ছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে তাঁকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে পৌঁছালে পুলিশের একটি চৌকস দল নবনিযুক্ত ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
গার্ড অব অনার শেষে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বনজ ও ফলদ গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার।”
প্রতিমন্ত্রী সবাইকে বাড়ির আঙিনায় এবং সুবিধামতোস্থানে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান এবং বৃক্ষরোপণকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বৃক্ষরোপণ শেষে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমান। মোনাজাত শেষে প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত এলাকার সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী নিজ গ্রামের বাড়ি সংলগ্ন মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন। পরে বিকেল ৩টার দিকে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
নির্বাচন শেষে মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার নিজ এলাকায় আগমন উপলক্ষে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা ও আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে।

ভজন দাস, নেত্রকোনা