রেল ইঞ্জিনে ত্রুটি, ৪ ঘণ্টা আটকে ৮০০ যাত্রী
চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী ‘মেঘনা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ফেনী রেলস্টেশনে প্রায় চার ঘণ্টা আটকা পড়েছেন অন্তত ৮০০ যাত্রী। এতে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
আজ শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় ট্রেনটি ফেনী জংশনে প্রবেশের সময় হঠাৎ ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, স্টেশনে পৌঁছানোর পর ট্রেনের ইঞ্জিনের মোটরে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। এসময় মোটরে আগুন লাগার আশঙ্কা দেখা দিলে নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেনটি দ্রুত স্টেশনের ডাউন লাইনে থামিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ট্রেন আটকে থাকায় চরম বিপাকে পড়েন যাত্রীরা। অনেকেই স্টেশনে নেমে বিকল্প পরিবহণের খোঁজ করতে শুরু করেন।
লাকসাম থেকে চট্টগ্রামগামী যাত্রী একরামুল হক বলেন, সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ট্রেনে উঠেছি। ফেনীতে এসে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বসে আছি। অনেক যাত্রী ট্রেন ছেড়ে সড়কপথে চলে যাচ্ছেন।
দুই সন্তান নিয়ে আটকে পড়া সাহেদা বেগম নামে আরেক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এতক্ষণে চট্টগ্রামে পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। দুই সন্তান নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এখানে আটকে পড়ে খুব ভোগান্তিতে পড়েছি।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ হারুন বলেন, চট্টগ্রাম থেকে একটি বিকল্প ইঞ্জিন আনা হচ্ছে, যা ইতোমধ্যে ফৌজদারহাট অতিক্রম করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিনটি অপসারণ করে বিকল্প ইঞ্জিনটি যুক্ত করার পরপরই ট্রেনটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
মোহাম্মদ হারুন আরও বলেন, ফেনী থেকে যেসব যাত্রীর এই ট্রেনে ওঠার কথা ছিল, তাদের কেউ কেউ টিকিট ফেরত দিয়ে বিকল্প পরিবহণে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তবে মেঘনা এক্সপ্রেস একটি লাইনে আটকে থাকলেও পাশের দুটি লাইন সচল থাকায় ওই রুটে অন্যান্য ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

তোফায়েল আহাম্মদ নিলয়, ফেনী