শান্তা ফারজানাসহ ৬ জনের জামিন নাকচ
রাজধানীর শাহবাগে থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ‘নতুন ধারা বাংলাদেশ’-এর ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা ও তার স্বামী মোমেন মেহেদীসহ ছয়জনের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত।
আজ সোমবার (১০ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এই আদেশ দেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলামের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জামিন নাকচ হওয়া অন্য আসামিরা হলেন- সংগঠনটির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নুরজাহান নীরা (৪০), যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজামান (৪৭), সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাপ মণ্ডল (৪০) ও হরী সরকার (৩৬)।
নথি থেকে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে ছয় জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে অভিযুক্ত করে শাহবাগ থানায় বাবুল সরদার নামে একজন মামলা করেন।
এজাহারে বাদী বলেন, আসামি শান্তা ফারজানা ও মোমেন মেহেদী পূর্বে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবৈধ বলে এবং জুলাই আন্দোলনকে জঙ্গি আন্দোলন হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এ ছাড়া জুলাইয়ের প্রথম শহীদ আবু সাঈদকে নেশাখোরও বলেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, শান্তা ফারজানা ও মোমেন মেহেদী ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের পক্ষে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন এবং শেখ হাসিনাকে বৈধ প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন এবং জুলাই আন্দোলনকে ‘জঙ্গি আন্দোলন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেন। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে সরকারবিরোধী অপপ্রচার চালিয়ে আসছিলেন। পরবর্তীতে গত ৪ আগস্ট রাত আনুমানিক ৭টার দিকে প্রেস ক্লাবের সামনে আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিয়ে মিছিল বের করে। সেখানে উপস্থিত এসটিএফ সদস্য আল নূর মোহাম্মদ আয়াসসহ জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা এর প্রতিবাদ করলে আসামিরা দেশি ধারালো অস্ত্র, লাঠি, এসএস পাইপ ও চেয়ার নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
আরও বলা হয়, ১ নম্বর আসামি শান্তা ফারজানা হত্যার উদ্দেশ্যে এসএস পাইপ দিয়ে আঘাত করে আল নূর মোহাম্মদ আয়াসের মাথা, মুখ ও দুই হাত রক্তাক্ত জখম করেন।

আদালত প্রতিবেদক