অনলাইনেই সরব হাসিনা, দুই বছরেও মুখ দেখেনি কেউ
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুথানের মুখে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। দেশে না থাকলেও রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছাতে ও দলের অভ্যন্তরীণ স্তিমিত পরিস্থিতি ধরে রাখতে অনলাইন মাধ্যমকে কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি।
বিভিন্ন সময় ভার্চুয়াল ভাষণ, অডিও বার্তা এবং আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বার্তার মাধ্যমে তিনি প্রতিনিয়ত দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন ও সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যুতে নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন।
দেশত্যাগের পর তার এসব ভার্চুয়াল বক্তব্য ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকার বারবার দেশের রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়েছে। যদিও চলতি সপ্তাহে ভারতের সংসদে দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শেখ হাসিনাকে ভারতের মাটি ব্যবহার করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
দেশত্যাগের পর শেখ হাসিনা প্রথম বার্তা দেন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায়।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর প্রথম ভার্চুয়াল মাধ্যমে নিজ দলের জ্যেষ্ঠ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যৌথ সভায় অংশ নেন শেখ হাসিনা। দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করছেন। দলের নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে নানা রাজনৈতিক বার্তা ও নির্দেশনা দিচ্ছেন।
এছাড়া অনলাইনেই বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংগঠনিক কার্যক্রম ও কমিটি পুনর্গঠনের তদারকি করছেন।
ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার এক বছর পূর্তিতে ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা অনলাইন বিশেষ ভাষণ দেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক