ছাগলকাণ্ডের সেই মতিউরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ ১ নভেম্বর
ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে করা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ বি. এম. তারিকুল কবীর এই আদেশ দেন।
এদিন আদালতে এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু আসামি মতিউর এই মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে কোয়াসমেন্ট করেছেন মর্মে বিচারককে অবগত করেছেন। এরপরে বিচারক সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ১ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।
নথি থেকে জানা গেছে, গত ৫ জুলাই ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি. এম. তারিকুল কবীর এই মামলায় অভিযোগ গঠন করেন। দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের দাখিল করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
২০২৪ সালের ২ জুলাই মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদ বিবরণী চেয়ে পৃথক নোটিশ পাঠায় দুদক। এসব নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ২৯ আগস্ট মতিউর, তার দুই স্ত্রী এবং ছেলে-মেয়েসহ পাঁচজনের সম্পদ বিবরণী দুদকে জমা দেন। গত বছরের ৬ জানুয়ারি মামলা করে দুদক। আর ১৪ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রসঙ্গত, কোরবানির জন্য ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। বলা হয়, তার বাবা এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমান। এরপর আলোচনা চলে আসে মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের কোথায় কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে। এসব আলোচনার মধ্যে একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে মতিউর পরিবারের বিপুল বিত্তবৈভবের চাঞ্চল্যকর তথ্য।

আদালত প্রতিবেদক