আপস করেও জামিন মিলছে না গাজী নজরুলের
আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের পরিবারের সঙ্গে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের আপস হওয়ার পরও তার জামিন মিলেনি। বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই জামিনের আবেদন নাকচ করেন।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুলের জামিন শুনানির সময় মামলার বাদী মৃত মরিয়ম খাতুনের বাবা মাসুম বিল্লাহ আপসনামা দাখিল করেন। সেই আপসনামা দাখিলের পর গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ৩০ সেপ্টেম্বর জামিন পান। তবে গাজী নজরুল ইসলামের জামিন নাকচ করেন আদালত।
গাজী নজরুলের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর জামিন নাকচের পরে আজ আবার নতুন করে জামিনের আবেদন করা হয়। এ সময় মামলার বাদী আদালতে থেকে জামিনে আপত্তি নেই মর্মে জানান। কিন্তু আদালত এরপরেও জামিন নাকচ করে দেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় মৃত মরিয়ম খাতুনের বাবা মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় একটি আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। মামলায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং শ্যালক ওবায়দুর রহমান—এই তিনজনকে আসামি করা হয়।
এরপর গত ২১ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুলের চার দিন ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। তবে স্ত্রীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হলেও গাজী নজরুলকে আদালতে হাজির করে পুনরায় রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

আদালত প্রতিবেদক