চলচ্চিত্র অনুশীলনের বিষয় : রাজিব খান পাঠান

রাজিব খান পাঠান বাপ্পি, নামটা বেশ খানিকটা ছড়িয়েছে মুখে মুখে, পত্রিকার পাতাতে। কারণ, ‘প্যারিস ইন্টারন্যাশনাল সিনেফেস্ট’-এর বিচারক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন এই তরুণ নির্মাতা।
ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স শেষ করে ফিল্ম স্টাডিজে পড়েছেন পাঠশালা সিনেমা ডিপার্টমেন্টে। সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে কথা হলো চলচ্চিত্র ও তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে।
প্রশ্ন : চলচ্চিত্র বা ফিল্ম কী? শব্দ দিয়ে কিছু ব্যাখ্যা করা হলে তা কেমন হয়ে দাঁড়ায় আপনার কাছে?
পাঠান : চলচ্চিত্র ভাবনা বা অভিজ্ঞতা প্রকাশ করার মাধ্যম। ইমেজ যেমন আমরা দেখছি, শব্দটাও তেমনি আমরা শুনছি। সে ক্ষেত্রে শব্দ দিয়ে কোনো কিছু প্রকাশ করার পূর্ণ স্বাধীনতা ও মৌলিকতা রয়েছে।
প্রশ্ন : আপনার চলচ্চিত্রে ইমেজের রঙে সাদাকালো কিংবা ধূসরের প্রাধান্য বেশি থাকে, এমনকি ফটোগ্রাফিতেও। এটা কেন?
পাঠান : সাদাকালো দিয়ে ভাবনার অনেক গভীরে যাওয়া যায় বলে আমার ধারণা। ইমেজের রঙে বিভিন্ন কালার থাকলে মনে হয় মূল ভাবনার প্রকাশের চেয়ে রংই বেশি প্রাধান্য পায়, মনোযোগটা কিছুটা হলেও হারিয়ে যায়। কিন্তু সাদাকালো হলে সেই মনোযোগ হয়তো ঠিক থাকে। বাস্তব জীবনে কোনো কিছুই তো খুব চকচকা দেখি না, ধূসরই তো বেশি দেখি।
প্রশ্ন : ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে, বিশেষভাবে বলতে গেলে ইমেজের ক্ষেত্রে একটা সাইন আপনি তৈরির দিকে অনেকটা অগ্রসর হয়ে গেছেন। এটা কি পরিকল্পিত না করতে করতেই হয়ে ওঠা?
পাঠান : সাইন তৈরি হয়েছে কি না জানি না। আমাদের ভাবনার মাঝেও নানা ধরনের অসংগতি ও দ্বন্দ্ব রয়েছে, তার কতটুকুর সত্যতা আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকাশ করতে পারি?
আর যদি সাইন তৈরিও হয়ে থাকে, তবে এটা পরিকল্পিত না, করতে করতেই হয়ে উঠেছে।
প্রশ্ন : গল্প আর দৃশ্য—কোনটা বেশি ভাবায় চলচ্চিত্র তৈরির সময়?
পাঠান : দুইটাই তো পরিপূরক। দৃশ্যটা তো গল্পেরই অংশ।
প্রশ্ন : শব্দ কি গল্পকে প্রাধান্য দিয়ে আসে ভাবনায়, নাকি দৃশ্যকে প্রাধান্য দিয়ে আসে। প্রাথমিক ভাবনার কথা বলছি আমি এ ক্ষেত্রে।
পাঠান : শব্দ গল্পকে প্রাধান্য দিয়েও আসতে পারে, আবার দৃশ্যকে প্রাধান্য দিয়েও আসতে পারে। আবার কখনো দৃশ্যকে কল্পনা করে শব্দ আসে। কখনো শব্দ শুনে দৃশ্য আসে।
প্রশ্ন : ফিল্ম মেকারদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার ব্যাপারে কী মনে করেন? একাডেমি কি এখনো ফিল্ম মেকিং শিক্ষার দিকটা গড়ে তুলতে পেরেছে বাংলাদেশে?
পাঠান : চলচ্চিত্রের ভাষা, চলচ্চিত্রের ইতিহাস সম্পর্কে জানার জন্য অবশ্যই একাডেমিক শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। চলচ্চিত্র তো যুগে যুগে হয়ে উঠেছে চিন্তার গভীর স্তর, কখনো হয়ে উঠেছে তীব্র প্রতিবাদের বিষয়, কখনো দর্শন, কখনো সমাজের পরিবর্তন বা বিপ্লব, কখনো পৃথক শিল্প ভাষা।
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে চলচ্চিত্রকে বোঝাটা যতটা জরুরি তার থেকে বেশি জরুরি চলচ্চিত্র দেখা এবং চলচ্চিত্রের ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টি ভঙ্গি উপলব্ধি করতে পারা এবং চর্চা করা বা নিরীক্ষা করা।
যদিও বাংলাদেশের বিভিন্ন ফিল্ম স্কুল দাবি করছে, চলচ্চিত্র শিক্ষার দিক গড়ে তুলতে পেরেছে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়, এখনো গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি।
প্রশ্ন : চলচ্চিত্র শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষক আর ফিল্ম মেকার (মেকিংয়ের যেকোনো সেক্টরেরই তিনি হোন না কেন) দুটো কি পৃথক থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন? হলে কেন? না হলে কেন নয় ?
পাঠান : চলচ্চিত্র শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষক ফিল্ম মেকার হলে বেশি ভালো হয় বলে আমার ধারণা।
কারণ, তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষকের নিজের নির্মাণযাত্রার অভিজ্ঞতা নির্মাণের ক্ষেত্রে অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করে।
প্রশ্ন : ‘প্যারিস ইন্টারন্যাশনাল সিনেফেস্ট’-এর বিচারক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আপনি এ বছর? সিনেমাগুলো কী অনলাইনে দেখার কাজ শুরু হয়ে গেছে? পরে কি আপনাকে সশরীরে প্যারিসে যেতে হবে?
পাঠান : হ্যাঁ। সিনেমাগুলো অনলাইনে দেখা শুরু করেছি। মার্চে ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, আমি আমন্ত্রিত; কিন্তু আমাকে সশরীরে প্যারিসে না গেলেও হচ্ছে।
প্রশ্ন : সিনেফেস্টে জমা পড়া সিনেমাগুলো দেখার অভিজ্ঞতা কেমন? বিভিন্ন দেশের সিনেমাই তো আছে, এ ছাড়া সম্ভবত ইদানীং যাঁরা কাজ করছেন নতুন তাঁরাই বেশি, তাই নয় কি?
পাঠান : এটা একটা নতুন প্ল্যাটফর্ম, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে সিনেমা জমা পড়ছে। নতুন নির্মাতাদের চিন্তাভাবনার নতুনত্ব দেখা আসলেই অন্য রকম অভিজ্ঞতা।
প্রশ্ন : আপনার সম্পর্কে বলা হয় আপনি ‘নিরীক্ষাধর্মী চলচ্চিত্র’ নির্মাণ করেন। এ ব্যাপারে আপনি কী বলবেন? ‘নিরীক্ষাধর্মী চলচ্চিত্র’-এর সংজ্ঞাই বা কী আপনার মতে?
পাঠান : আসলে চলচ্চিত্র মানেই তো এক ধরনের নিরীক্ষা। যেকোনো চলচ্চিত্রই কোনো না কোনোভাবে নিরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে। 'নিরীক্ষাধর্মী চলচ্চিত্র’-এর নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা আমার জানা নেই।
প্রশ্ন : নিরীক্ষাধর্মী, আভা-গার্দ, নিউ ওয়েভ মুভমেন্ট এ রকম যে কনসেপ্টগুলো এলো আমাদের মাঝে, এগুলোর প্রভাব নির্মাণশৈলীতে থাকার কারণেই কি দেশজ ঐতিহ্যগত ভাবনার চেয়ে আমাদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, ভাবনা অধিক প্রাধাণ্য পাচ্ছে বলে মনে করেন। মেকিংয়ের ক্ষেত্রে? নাকি এটাই আমরা চাইছি। আমরা আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক-সামাজিক-রাজনৈতিক ইস্যুকে ঘিরে নিরীক্ষাধর্মী চলচ্চিত্র বানাতে আগ্রহী হয়ে উঠছি না বলে কি মনে হয় আপনার?
পাঠান : আসলে আমরা কী করে নিশ্চিত হচ্ছি যে ইউরোপীয়ান আর্ট ফিল্ম (নিরীক্ষাধর্মী, আভা-গার্দ, নিউ ওয়েভ মুভমেন্ট) আমাদের সবাইকে প্রভাবিত করছে? আমার কাছে মনে হচ্ছে, এখনো প্রভাবিত করতে পারেনি, আমরা ভাবনার জায়গায় এখনো অনেক দুর্বল। হ্যাঁ, হয়তো কেউ কেউ হয়েছেন।
আমরা যদি নিরীক্ষাধর্মী, আভা-গার্দ, নিউ ওয়েভ মুভমেন্ট কনসেপ্টগুলোর মাধ্যমে প্রভাবিত হয়েও থাকি, নির্মাণ ও গল্প ভাবনার সময় কিন্তু আমরা ঠিকই আমাদের নিজেদের দেশ, মানুষ, ঐতিহ্য, রাজনীতি, সংস্কৃতিকেই রেপ্রিজেন্ট করছি।
এই কনসেপ্টগুলোর প্রভাবে দেশজ ঐতিহ্যগত ভাবনার চেয়ে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব-ভাবনা অধিক প্রাধান্য পাচ্ছে, এটা আমি মনে করি না। কে, কীভাবে প্রভাবিত হচ্ছি, সেটা আসলেই ভাবনার বিষয় না, সিনেমা যে অনেক বিস্তর সেটা শেখা বা জানাটাই মূল বিষয়।
আমরা আসলে দেশজ ঐতিহ্যগত ভাবনায় আসতে পারছি না হয়তো বা কোনো পলিটিক্যাল ইস্যু বা সংকট থেকে।
তারপরও আমাদের দেশে সমসাময়িক সাংস্কৃতিক-সামাজিক-রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে অনেকেই চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন এবং সেগুলো দেশ-বিদেশে প্রশংসিত এবং প্রদর্শিত হচ্ছে।
প্রশ্ন : বাংলাদেশে সিনে ক্লাবগুলো কী অবস্থায় আছে? চলচ্চিত্র নিয়ে চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রে এই সিনে-ক্লাব, ফিল্ম-সোসাইটি কিংবা ফোরামগুলোর ভূমিকাই বা কী বলে মনে হয়?
পাঠান : বাংলাদেশের সিনে ক্লাবগুলো কী অবস্থায় আছে, সেটা আমার জানা নেই, আমি কখনো কোনো সিনে ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। যদিও এ বছরের এপ্রিল থেকে আমি বিড়ালপাখি সিনে ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি।
আমাদের দেশে তো চলচ্চিত্র নিয়ে ফিল্ম স্কুল খুব বেশি নেই, যে গুটি কয়েক রয়েছে তাদের কাছে চলচ্চিত্র শিক্ষার থেকে মুনাফা অর্জনের এবং তথাকথিত সার্টিফিকেট বিক্রির ভাবনাটাই অনেক বেশি।
সে ক্ষেত্রে চলচ্চিত্র নিয়ে চিন্তাভাবনার সঙ্গে সংযুক্ত থাকার জন্য এই সিনে ক্লাবগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, চলচ্চিত্র তো অনুশীলনের বিষয়।
প্রশ্ন : বিড়ালপাখি সিনে ক্লাব—এ সম্পর্কে বিস্তারিত বলুন। চলচ্চিত্রের যাত্রাপথে এ সিনে ক্লাবের অবদান কতটুকু?
পাঠান : বিড়ালপাখি সিনে ক্লাবের যাত্রা এ বছরের এপ্রিল মাস থেকে। এ ক্লাবে আমি যুক্ত হয়েছি মূলত চলচ্চিত্র নির্মাতা, প্রশিক্ষক, সংগঠক ও প্রযোজক ইশতিয়াক জিকোর মাধ্যমে।
বিড়ালপাখি একটি কমিউনিটি তৈরির চেষ্টা করছে। নির্মাতা, স্ক্রিপ্ট রাইটার, সিনেমাটোগ্রাফার, এডিটর, সাউন্ড নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, প্রযোজনা করতে চান, তাঁদের সবাইকে আমরা বলছি নির্মাণ শ্রমিক। এই মানুষদের নিয়েই আমাদের ক্লাব।
সিনেমা যে নিরীক্ষা, সিনেমা-ভাবনায় যে কোনো সীমাবদ্ধতা নাই, সিনেমাকে যে প্রতিনিয়ত দেখতে ও শুনতে চাওয়ার একটা অভ্যাস গড়ে তুলতে হয়, এটাই বিড়ালপাখি সিনে ক্লাবের প্রচেষ্টা।
এ ক্লাবে প্রতি মাসের আয়োজন বিড়ালপাখির মজমায় নির্দিষ্ট থিমের ওপর নতুন নির্মাতাদের নতুন সিনেমা প্রদর্শিত হয়। ভবিষ্যতে চলচ্চিত্রের যাত্রাপথে এ সিনে ক্লাব গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ ছাড়া বিড়ালপাখির নির্মাতারা এরই মধ্যে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পা ফেলতে শুরু করেছে।
প্রশ্ন : এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা আমাদের চলচ্চিত্রগুলো কোথায় দেখাব বা শোনাব?
পাঠান : আমরা তো আর আমাদের চলচ্চিত্রগুলো সিনেমা হলে প্রদর্শন করতে পারছি না বা ঘুরে ঘুরে প্রজেকশান করতে পারছি না। সে ক্ষেত্রে আমাদের চলচ্চিত্রগুলো দেখানোর বা শোনানোর বা প্রদর্শনের একটা রাস্তাই আছে, সেটা কোন সিনে ক্লাব, ফিল্ম-সোসাইটি বা কোন কমিউনিটির মাধ্যমে।
প্রশ্ন : বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কোন ধরনের পরিবর্তন আনার জন্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের এক ধরনের দলবদ্ধ মুভমেন্টের কি প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন? আপনার কি মনে হয়, যে আদর্শগত বা নির্মাণশৈলীর জায়গা থেকে দলবদ্ধ মুভমেন্ট ছাড়া এগোনো সম্ভব না? নাকি ব্যক্তিগত বা কয়েকজনের প্রচেষ্টাই যথেষ্ট?
পাঠান : বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে পরিবর্তন আনার জন্য দলবদ্ধ মুভমেন্টের প্রয়োজন তো আছেই।
আমরা আসলে দলবদ্ধভাবে অনেক কিছু করার পরিকল্পনা করি, কিন্তু আদর্শগতভাবে ঠিক থাকতে পারি না। এই আদর্শগতভাবে ঠিক না থাকতে পারার উত্তর আমার জানা নেই, হতে পারে আমরা নিজ নিজ জায়গায় ব্যক্তিগতভাবে সৎ না।
আর হ্যাঁ, শুরুতেই যে অনেক বড় একটা দলবদ্ধ মুভমেন্ট তৈরি হবে, তা কিন্তু না শুরুতে ব্যক্তিগতভাবে সিনেমাকে উপলব্ধি করা জরুরি।
ব্যক্তিগত বা কয়েকজনের প্রচেষ্টায় যদি কোনো পরিবর্তন আনার কথা বলেন, তবে তা ব্যক্তিগত সাফল্য বা কয়েকজনের সাফল্যই হবে, যা খুবই ক্ষুদ্র। সামগ্রিকভাবে বাংলা চলচ্চিত্রের পরিবর্তন আনার জন্য সবার প্রচেষ্টা থাকতে হবে।
প্রশ্ন : একাডেমিক শিক্ষা আপনার চলচ্চিত্র নির্মাণে কতটা প্রভাব ফেলেছে? এখন পর্যন্ত কয়টি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন? কোন কোন উৎসবে অংশগ্রহণ করেছেন?
পাঠান : একাডেমিক শিক্ষার সঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাণের কোনো সম্পর্ক নেই। একাডেমিক শিক্ষার আগেও নির্মাণের চেষ্টা করেছি এখনো করছি, কতটুকু করতে পারছি জানি না। তবে চলচ্চিত্র নির্মাতা, প্রশিক্ষক, সংগঠক ও প্রযোজক ইশতিয়াক জিকোর অনুপ্রেরণায় নতুন করে নির্মাণ শুরু করতে পেরেছি।
ওইভাবে কোনো ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করি না, কারণ এন্ট্রি ফি দেওয়ার ক্ষমতা বা ইচ্ছা কোনোটাই আমার থাকে না আর আমার নিরীক্ষাধর্মী ও সাইকোলজিক্যাল চলচ্চিত্রগুলো একটু ব্যক্তিগতই।
তার পরও আমার টিম মেম্বারদের অনুরোধে ২০১৬-তে ‘কাগজের নৌকা’ রাশিয়ার XIII International film schools festival-workshop "KINOPROBA"-তে ননকম্পিটিশনে অংশগ্রহণ করেছিল এবং ‘হোয়াইট লাইস’ 14th International Short & Independent Film Festival-এ Tareq Shahriar Best Independent Short Film-এ মনোনয়ন পেয়েছিল।
এ ছাড়া গত বছরে (২০১৬) নির্মিত আমার প্রায় সব সিনেমার উদ্বোধনী প্রদর্শনী বিড়ালপাখির মজমায় হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ক্ষীণ আলোর আর্তনাদ (২০১০), অনাকাঙ্ক্ষিত অনুশীলন (২০১২), কাগজের নৌকা (২০১৫), জিরো (২০১৬), সাদা কথা (২০১৬), মেমোরিস (২০১৬), এ স্ট্রেঞ্জার নেমড সুভাষ (২০১৬), হোয়াইট লাইস (২০১৬), মিরর ২৭ (২০১৬), এবং রান ইনটু দ্য স্যান্ড (২০১৬)।