জ্বলে উঠলেন তামিম, ঢাকা জিতল সহজে
কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছে, বঙ্গবন্ধু বিপিএলে খুব একটা উজ্জ্বলতা ছড়াতে পারছেন না বাংলাদেশি তারকারা। এক ম্যাচে ভালো করছেন তো আবার কয়েক ম্যাচে ফ্লপ। ভুল বলা হবে না তামিম ইকবালের ক্ষেত্রেও। আসরে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ৭৪ রানের একটি ঝলমলে ইনিংস খেলার পর বড় কোনো সংগ্রহ নেই তাঁর নামের পাশে। তা ছাড়া অসুস্থতার কারণেও দুই ম্যাচ খেলতে পারেননি এই বাঁহাতি ওপেনার।
আশার কথা, ঢাকা প্লাটুনের তারকা ওপেনার তামিম রানে ফিরেছেন। তাঁর দলও দারুণ জয় তুলে নিয়েছে। আজ মঙ্গলবার সিলেটকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ঢাকা। সিলেটের করা ১৭৪ রানের বড় সংগ্রহের জবাবে ঢাকা মাত্র ২ উইকেট হারিয়েই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
তামিম ৪৯ বলে ৬০ এবং মেহেদী হাসান ২৮ বলে ৫৬ রানের দারুণ দুটি ঝলমলে ইনিংস খেলে ঢাকাকে এই সহজ জয় এনে দেন। আর এনামুল হক বিজয় ২৩ বলে ৩২ রান করেন।
এর আগে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ম্যাচটিতে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই ধাক্কা খায় সিলেট। তরুণ পেসার মেহেদী হাসানের বলে আউট হয়ে ফিরে যান আন্দ্রে ফ্লেচার। সিলেটের হয়ে আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা ফ্লেচার ফিরে যান শূন্য রানে। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে আবদুল মাজেদকে নিয়ে ৫১ রানের জুটি গড়েন চার্লস। সপ্তম ওভারে মাজেদকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন শহীদ আফ্রিদি।
এরপর মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে জুটি বাঁধেন চার্লস। মাঝে তুলে নেন নিজের ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি। এরপর আর টিকলেন না। ১১তম ওভারে তাঁকে ফিরিয়ে ঢাকার শিবিরে স্বস্তি ফেরান শাদাব খান। ফেরার আগে তিন বাউন্ডারি আর আট ছক্কায় ৭৩ করেন চার্লস। মাঝে ব্যাটিংয়ে এসে ফিরে যান অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
তবে তখনো টিকে ছিলেন মিঠুন। রাদারফোর্ডকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত সিলেটকে ১৭৪ রানের সংগ্রহ এনে দেন মিঠুন। ইনিংস শেষে ৩১ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। এ ছাড়া ২৮ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত ছিলেন রাদারফোর্ড।
ঢাকার পক্ষে বল হাতে দুটি উইকেট নেন শহীদ আফ্রিদি। সমান একটি করে উইকেট নেন মেহেদী হাসান ও শাদাব খান।

স্পোর্টস ডেস্ক