নাগরিকত্ব আইন নিয়ে কথা বলতে চান না কোহলি
ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে। এই ইস্যুতে বিক্ষোভ হচ্ছে আসামেও। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলিকেও। তবে এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ ভারতীয় অধিনায়ক। এমন একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে ভালোভাবে না জেনে মন্তব্য করতে চান না তিনি।
আজ ভারত-শ্রীলঙ্কা সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বসছে আসামের গুয়াহাটিতে। এ ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে কোহলি বলেন, ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে মন্তব্য করা দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো কাজ হবে। কারণ এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে এই শহরটা আমাদের কাছে নিরাপদ বলেই মনে হয়েছে।’
বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে আতঙ্কে আছে আসাম ক্রিকেট সংস্থা। সে জন্যই হয়তো নতুন বছরের প্রথম ম্যাচের গ্যালারিতে চার-ছক্কার পোস্টার নিষিদ্ধ করেছে আসাম ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (এসিএ)।
শুধু পোস্টার নয় প্রিয় তারকার উদ্দেশে কোনো বার্তা লিখেও মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না ভক্তরা। এ ছাড়া স্কেচ পেন, রং, তুলি, মার্কার, পেন্সিলও নিষিদ্ধ করেছে এসিএ। শুধু মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও গাড়ির চাবি নিয়ে মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শকরা।
এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে সংবাদ মাধ্যমকে এড়িয়ে যান আসাম ক্রিকেট সংস্থার সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। এরপর গতকাল শুক্রবার বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে তিনি বলেন, ‘ভারতীয় বোর্ডের নির্দেশ মেনেই আমরা এগোচ্ছি। এত দিন ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গে যে ঠাণ্ডা পানীয় প্রস্তুতকারক সংস্থার চুক্তি ছিল, সাত দিন আগেই তা শেষ হয়ে গেছে। সেই সংস্থার নাম ও লোগো উল্লেখ করা কোনো চার, ছয়ের ব্যানার নিয়ে সমর্থকরা প্রবেশ করলে অপমান হবে বোর্ডের। পোস্টার নিয়ে মাঠে ঢুকতে না দেওয়ার সেটাই কারণ।’
তবে এর পেছনে রাজনৈতিক কারণ আছে বলেও ধারণা করা হয়। অনেকের ধারণা, রাজনৈতিক পোস্টার নিয়ে মাঠে প্রবেশ করার সম্ভাবনা কমাতেই হয়তো এই পদক্ষেপ নিয়েছে আসাম ক্রিকেট সংস্থা। সচিবের কথায়, ‘সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ নিয়ে ভয় নেই। আমাদের সমর্থকরা শান্তিতে ম্যাচ দেখতে চান। আমি নিশ্চিত, ক্রিকেটের বাইরে কোনো বার্তা পৌঁছানোর উদ্দেশ্য নিয়ে তাঁরা মাঠে আসবেন না।’

স্পোর্টস ডেস্ক