মাশরাফি-শাদাবের দৃঢ়তায় ঢাকার লড়াইয়ের পুঁজি
হারলেই বাদ, জিতলে টিকে থাকবে ফাইনালের আশা। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাট হাতে ব্যর্থতার প্রমাণ দিলেন ঢাকার ব্যাটসম্যান তামিম-এনামুল-মেহেদীরা। তবে স্রোতের বিপরীতে ছিলেন শাদাব খান। দলের ব্যর্থতার একাই লড়েছেন তিনি। হাতে ১৪ সেলাই নিয়ে পাকিস্তানি এই তারকাকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। শাদাব-মাশরাফির দৃঢ়তায় এলিমিনিটর ম্যাচে চট্টগ্রামকে ১৪৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ঢাকা প্লাটুন।
আজ সোমবার চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সদের বিপক্ষে আট উইকেটে ১৪৪ রান সংগ্রহ করেছে ঢাকা প্লাটুন। ঢাকার হয়ে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেছেন শাদাব খান। ৪১ বলে তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল পাঁচ বাউন্ডারি ও তিন ছক্কায়।
ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে জয়ী দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার খেলা সুযোগ পাবে। আর হারা দল আজই বিদায় নিতে হবে। দ্বিতীয় কোয়ালিফারে ওঠা দল ফাইনালের টিকিটের জন্য রাজশাহী রয়্যালস বনাম খুলনা টাইগার্সের মধ্যেকার জয়ী দলের মুখোমুখি হবে।
আজ সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ঢাকা প্লাটুন। দলীয় ১৫ রানে হারায় ওপেনার তামিম ইকবালকে। ১০ বল মোকাবিলা করে তিন রান করেন তামিম। পুরো টুর্নামেন্টে ব্যর্থ এনামুলও ব্যর্থ হন। শূন্য রানে তাঁকে বিদায় করেন নাসুম আহমেদ।
পরের ওভারে লুইসকে সাজঘরে পাঠান চট্টগ্রাম অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ্। দারুণ ছন্দে থাকা মেহেদী হাসানও আজ পারেননি দলকে টানতে। তাঁকে বিদায় করেন এমরিত। আগের দিন ৯৪ রান করা মুমিনুল হক কিছুটা দায়িত্ব নেন। বেশিদূর নিতে পারেননি। ৩১ রানে তাঁকেও ফেরান এমরিত।
এরপর ঢাকার ঢাল হয়ে দাঁড়ান শাদাব খান। মাশরাফিকে নিয়ে টিকে থেকে দলকে শেষ পর্যন্ত। শেষ দুই ওভারে মেহেদী হাসান রানা ও জুনায়েদকে তুলোধুনো করে ৩৯ রান করেন তিনি। এই জুটির দৃঢ়তায় নির্ধারিত ওভারে ১৪৪ রান সংগ্রহ করে ঢাকা প্লাটুন।
ঢাকা প্লাটুন : ২০ ওভারে ১৪৪/৮ (তামিম ৩, এনামুল ০, মুমিনুল ৩১, লুইস ০, মেহেদী ৭, জাকের ০, শাদাব ৬৪, আসিফ ৫, পেরেরা ২৫, মাশরাফি ০; রুবেল ৪-০-৩৩-২, রানা ৪-০-২৯-০, নাসুম ২-০-১১-০, মাহমুদউল্লাহ্ ২-০-৫-১, এমরিত ৪-০-২৩-৩, জিয়া ৪-০-৩৯-০)।

ক্রীড়া প্রতিবেদক