মুমিনুলের নতুন যাত্রা
২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টেস্ট জার্সি গায়ে জড়ান মুমিনুল হক। এই ছয় বছরে তিন ফরম্যাটে নিজেকে যোগ্য করে তুলতে পারেননি ঠিকই, কিন্তু সাদা পোশাকে মুমিনুল বাংলাদেশের একজন বড় পারফরমার। ম্যাচ ও রানের গড় হিসাবে একজন সফল ব্যাটসম্যান। তাই তো হুট করে অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞায় ডানে-বাঁয়ে না তাকিয়ে মুমিনুল হকের কাঁধেই টেস্টের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
আজ বৃহস্পতিবার ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের ১১তম অধিনায়ক হিসেবে মুমিনুলের যাত্রা শুরু হচ্ছে। ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামের সবুজ মাঠে ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে টস করবেন। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টস, গায়ে অধিনায়কের রাজসিক ব্লেজার। সব মিলিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে মুমিনুল। যদিও অধিনায়কের তকমা পেতে যাওয়া মুমিনুল হক খুব বেশি চাপ নিচ্ছেন না। বরং জানালেন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার জন্য জন্য তৈরি তিনি। মুমিনুল বলেন, ‘ভারত এমন একটি দল, যারা একেক দলকে একেক রকম চ্যালেঞ্জ দিয়ে থাকে। কাউকে স্পিন দিয়ে নয়তো কাউকে পেস দিয়ে আটকে রাখে। আমরাও সেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি। আমরা ভালো করে জানি, এই সিরিজটা আমাদের জন্য খুব চ্যালেঞ্জিং হবে। আমরা সেই চ্যালেঞ্জটা নেওয়ার মানসিকতা নিয়ে প্রস্তুত আছি।’
ছয় বছর আগে ক্রিকেটে পা রাখা মুমিনুল এখন পর্যন্ত দেশের হয়ে ৩৬টি টেস্ট খেলেছেন। ৩৬ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ দুই হাজার ৬১৩ রান। গড় ৪১.৪৭। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মুমিনুলের টেস্ট গড় সবচেয়ে সমৃদ্ধ। এ ছাড়া তাঁর ঝুলিতে রয়েছে আট সেঞ্চুরি ও ১৩টি হাফ-সেঞ্চুরি। টেস্টে দাপুটে খেলা মুমিনুলের টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ক্যারিয়ার ততটা সমৃদ্ধ নয়। ওয়ানডেতে ২৮ ম্যাচ খেলে করেছেন মাত্র ৫৫৭ রান। আর টি-টোয়েন্টিতে ছয় ম্যাচে করেছেন মাত্র ৬০ রান। তবে যে টেস্টে নিজের ছন্দ ধরে রেখেছেন, সে ফরম্যাটেই আজ দেশকে প্রথম নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

স্পোর্টস ডেস্ক