সৌম্য-সাব্বিরের ব্যাটে উড়ে গেল রংপুর
টানা দুই ম্যাচ হেরে জয়ের খোঁজে চট্টগ্রামে পাড়ি জমিয়েছে রংপুর রেঞ্জার্স। কিন্তু চট্টগ্রামেও জ্বলে উঠতে পারল না মোহাম্মদ নবির দল। বন্দরনগরীতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বড় সংগ্রহ নিয়েও সৌম্য-সাব্বিরের ব্যাটে উড়ে গেল রংপুর রেঞ্জার্স।
আজ বুধবার বিপিএলের ১১তম ম্যাচে রংপুর রেঞ্জার্সকে ৬ উইকেটে হারাল কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। বিপিএলের চলতি আসরে এ নিয়ে তিনটি ম্যাচ খেলে ফেলল রংপুর রেঞ্জার্স। তিন ম্যাচের তিনটিতেই হেরেছে। অন্যদিকে সমান তিনটি ম্যাচ খেলে একটি হারের বিপরীতে দুটিতে জিতল কুমিল্লা।
আজ বুধবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সকে বোলিংয়ে পাঠায় রংপুর রেঞ্জার্স। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দারুণ হয় রেঞ্জার্সদের। রানের দেখা পান গত দুই ম্যাচে ব্যর্থ মোহাম্মদ শেহজাদ। মোহাম্মদ নাঈমকে নিয়ে শুরুর জুটিতে ৪৯ রান তোলেন তিনি। পঞ্চম ওভারে নাঈমের রানআউটে ভাঙে ওপেনিং জুটি। আগের দিন ৭৮ রান করা নাঈম ফিরে যান ৮ রানে।
এর মাঝে হাফসেঞ্চুরি তুল নেন শেহজাদ। পঞ্চাশ ছাড়ানোর পর অবশ্য বেশিদূর যেতে পারেননি তিনি। নবম ওভারের প্রথম বলে তাঁকে সাজঘরের পথ দেখান সানজামুল ইসলাম। ফেরার আগে মাত্র ২৭ বলে ৬১ রান করেন শেহজাদ।
এরপর অবশ্য নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে রংপুর। একে একে ফিরে যান টম এবিল, আল-আমিন, মোহাম্মদ নবি। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটসম্যানদের হারিয়ে সংগ্রহ বড় করতে পারেনি দলটি। ফলে নির্ধারিত ওভারে শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৮১ রান সংগ্রহ করে রংপুর রেঞ্জার্স।
বল হাতে কুমিল্লার হয়ে ২৫ রানের বিনিময়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিয়েছেন মুজিবুর রহমান। সমান একটি করে নিয়েছেন সৌম্য সরকার, আল-আমিন ও সানজামুল ইসলাম।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারের দুই বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে জয় তুলে নেয় কুমিল্লা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৯ রান করেন সাব্বির রহমান। ৪০ বলে তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল তিন বাউন্ডারি ও দুই ছক্কা দিয়ে। ২৪ বলে ৪২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন মালান। ৩৪ বলে ৪১ রান করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার।

স্পোর্টস ডেস্ক