টেস্ট খেলার জন্য মুশফিকের আকুতি
সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশ এখন পাল্লা দিয়েই লড়তে পারে বড় দলগুলোর সঙ্গে। ২০১৫ সাল থেকে সেটা দারুণভাবেই দেখাচ্ছেন মুশফিক-সাকিবরা। কিন্তু ক্রিকেটের আদি সংস্করণ টেস্টে এখনো বেশ খানিকটা পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো ভারতের মাটিতে টেস্ট খেলার সময়ও বাংলাদেশের অনভিজ্ঞতাটা চোখে পড়েছে। হায়দরাবাদ টেস্টটা ড্র করার পথে অনেকখানি এগিয়ে গিয়েও হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে মুশফিক বাহিনীকে। আর টেস্টে উন্নতির জন্য আরো বেশি বেশি ম্যাচ খেলার কোনো বিকল্প নেই বলেই মনে করছেন অধিনায়ক মুশফিক।
ভারতের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে চতুর্থ ইনিংসে ১০০ ওভার ব্যাটিং করা বেশ কঠিন কাজ। ২০০০ সালের পর থেকে যা দেখা গিয়েছিল মাত্র একবার। ২০০৩ সালে ১০৭ ওভার ব্যাটিং করে টেস্ট ড্র করেছিল নিউজিল্যান্ড। তারপর সেই কাজটা করেছে বাংলাদেশ। ব্যাটিং করেছে ১০০ ওভার। শেষপর্যন্ত ২০৮ রানে হেরে গেলেও বাংলাদেশের লড়াকু ব্যাটিং প্রশংসাই কুঁড়িয়েছে ক্রিকেটেবিশ্বে। বিদেশে বড় দলগুলোর বিপক্ষে আরো বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেলে নিজেদের আরো শানিয়ে নেওয়া যাবে বলেই বিশ্বাস মুশফিকের। তিনি বলেছেন, ‘আমরা যত বেশি বেশি টেস্ট খেলব, দল হিসেবে ততই ভালো করার সুযোগ থাকবে। আমরা পাঁচ বছর ধরে কিছুটা ভালো খেলছি। কাজেই আশা করব এই অভিজ্ঞতাগুলো নিয়ে ভবিষ্যতে আরো উন্নতি করতে পারব।’
বোলিংয়েও অনভিজ্ঞতাটাই বাংলাদেশকে বেশি ভুগিয়েছে বলে মনে করছেন মুশফিক, ‘সাকিবের কথা বাদ দিলে আমাদের এমন কোনো বোলার নেই, যে ১০ বা ১২ টেস্টের বেশি খেলেছে। টেস্টে আপনি অনেক রান করলেও সেটা খুব একটা কাজে আসে না। প্রতিপক্ষকে অলআউট করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ’
এ বছর অবশ্য বেশ কয়েকটি টেস্ট খেলার সুযোগ আছে বাংলাদেশের সামনে। আগামী মার্চেই শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়ে বাংলাদেশ খেলবে দুটি টেস্ট। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর মুশফিকদের সাদা পোশাকে দেখা যেতে পারে অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও।

স্পোর্টস ডেস্ক