সবার চেয়ে অনেক বেশিই পাচ্ছে ভারত
আইসিসির লভ্যাংশ ভাগাভাগি নিয়ে বিতর্কটা চলছে অনেক দিন ধরেই। ভারতের প্রস্তাবিত ‘তিন মোড়ল’ মডেল বাতিল হয়ে যাওয়ার পর আইসিসির সঙ্গে ভালোই দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিল ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। হুমকি দিয়েছিল চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে না খেলার। শেষপর্যন্ত অবশ্য তেমনটা করতে হয়নি ভারতকে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফি সফলভাবে শেষ হওয়ার পর আইসিসিও চূড়ান্ত করে ফেলেছে লভ্যাংশ ভাগাভাগির মডেল।
২০১৪ সালে প্রস্তাবিত ‘তিন মোড়ল’ মডেল অনুযায়ী আট বছরের মেয়াদে ভারতের পাওয়ার কথা ছিল প্রায় ৫৮ কোটি ডলার। কিন্তু সেটা বাতিল হয়ে যাওয়ার পর ভারতকে প্রায় ৩০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল আইসিসি। সেটাও অন্য যে কারো চেয়ে অনেক বেশি। ভারত সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আলাপ-আলোচনা অব্যাহত ছিল। শেষপর্যন্ত কিছুটা সফলও হয়েছে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড। নতুন মডেল অনুযায়ী আট বছরের মেয়াদে বিসিসিআইয়ের পকেটে ঢুকবে ৪০ কোটি ডলারেরও বেশি।
ভারতের পরেই সবচেয়ে বেশি লভ্যাংশ পাবে ইংল্যান্ড। প্রায় ১৪ কোটি ডলার। আর অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ভাগে পড়বে প্রায় ১৩ কোটি ডলার। র্যাংকিংয়ের একেবারে তলানিতে থাকা জিম্বাবুয়ে পাবে ৯.৪ কোটি ডলার।
আইসিসির পূর্ণ সদস্য ১০টি দেশের মধ্যেই ভাগাভাগি হয়ে যাবে লভ্যাংশের ৮৬ শতাংশ টাকা। বাকিটা ভাগবাটোয়ারা করে দেওয়া হবে আইসিসির সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে।
৮৬ শতাংশের ২২.৮ শতাংশই আবার যাবে ভারতের কোষাগারে। ইংল্যান্ড পাবে ৭.৮ শতাংশ। আর জিম্বাবুয়ে বাদে বাকি সাতটি দেশ পাবে ৭.২ শতাংশ করে। জিম্বাবুয়ের ভাগে পড়েছে লভ্যাংশের ৫.৩ শতাংশ।

স্পোর্টস ডেস্ক