মুখচেনা সেই কোচটা কে?
প্রায় পাঁচ মাস হতে চলল, বাংলাদেশ দলের ড্রেসিংরুমে নেই কোনো কোচ। ভারপ্রাপ্ত বা টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের নামে কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন কোর্টনি ওয়ালশ কিংবা খালেদ মাহমুদ সুজন। কিন্তু তাতে দল সাফল্যের দেখা পাচ্ছে না ঠিকঠাক। অবশ্য বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, খুব শিগগির গুরুর দেখা পাচ্ছে বাংলাদেশ দল। নামটা না বললেও বিসিবি বস জানিয়েছেন, সেই কোচটাকে চেনে সবাই!
নিদাহাস ট্রফির আগেই বিসিবির চেয়েছিল সাকিব-তামিমদের কোচের নিয়োগ দেওয়া। অবশ্য হাতে সময় ছিল না খুব বেশি। শেষমেশ শ্রীলঙ্কার ত্রিদেশীয় সিরিজে আর কোচ মেলেনি বাংলাদেশের। পেস বোলিং কোচ ওয়ালশকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে। তবে এই সিরিজের পরেই ক্রিকেটাররা পেতে যাচ্ছে তাদের নতুন কোচকে। এপ্রিলেই দেখা মিলছে নতুন প্রশিক্ষকের। শ্রীলঙ্কায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তেমনটাই জানিয়েছেন বোর্ডপ্রধান।
ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ দলের দেখভাল করবেন নিজেই—আগেই নাজমুল বলেছিলেন এমনটা। লঙ্কায় দলের সঙ্গে রয়েছেন তিনিও। বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘যার সঙ্গে আমরা এখন আলোচনা করছি, যতদূর জানি তিনি এপ্রিলেই যোগ দেবেন দলের সঙ্গে। খুব সম্ভবত, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই পেয়ে যাব তাঁকে। তবে যতক্ষণ তিনি না পৌঁছান, আর কিছু বলতে চাইছি না।’
কোচের পরিচয় নিয়ে মুখে কুলুপ আঁটলেও বোর্ডপ্রধান এতটুকু জানিয়েছেন, পরিচিত একজনকেই দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব। নাজমুলের ভাষ্যে, ‘ভালো একজনকেই প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সবার কাছে তিনি পরিচিতই। হাথুরুসিংহে নিয়োগ পাওয়ার সময় যেমন আনকোরা ছিলেন, তেমন কেউ নয়। চেনা নামের যোগ দিচ্ছেন।’
উল্লেখ্য, এর আগে রিচার্ড পাইবাস আর ফিল সিমন্স বিসিবিতে সাক্ষাৎকার দিয়ে গিয়েছিলেন। তবে বিসিবি থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি তাঁদের। যার ফলে সিমন্স যোগ দিয়েছেন আফগানিস্তান দলের সঙ্গে। অন্যদিকে পাইবাসের কাঁধে চেপেছে উইন্ডিজ হাইপারফরম্যান্স দলের ভার।

ক্রীড়া প্রতিবেদক