লিটনের সেঞ্চুরিতে ছুটছে বাংলাদেশ

দলের বিপর্যয়ে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন লিটন কুমার দাস। লিটন নামার সময় বাংলাদেশ রীতিমতো শঙ্কায় ছিল স্কোরবোর্ডে দলীয় সংগ্রহ ৫০ পূর্ণ করা নিয়ে। মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে যখন ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন, বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে তখন ২৬ রানে ছয় উইকেট। সেখান থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সফররতরা। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে বাংলাদেশের সংগ্রহ পার হয়েছে ২২০। লিটন তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। আবরার আহমেদকে চার মেরে শতরানে পৌঁছান তিনি। লিটনকে সঙ্গ দিচ্ছেন হাসান মাহমুদ।
২০০ ছাড়িয়ে বাংলাদেশ, ভরসা লিটন
চা বিরতির আগে জোড়া উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ১৬৫ রানের জুটি ভাঙে মেহেদী হাসান মিরাজ আউট হলে। তবে, একপ্রান্তে ভরসা হয়ে টিকে আছেন লিটন দাস। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন হাসান মাহমুদ। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পার করেছে ২০০ রানের ঘর। হাতে আছে দুই উইকেট। স্বাগতিক পাকিস্তানের চেয়ে এখনও পিছিয়ে আছে ৭০ এর বেশি রানে।
শেষ দিকে জোড়া উইকেট হারিয়ে চা বিরতিতে বাংলাদেশ
ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে বাংলাদেশ ফিরেছে কক্ষপথে। লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে দ্বিতীয় সেশন পুরোটাই বাংলাদেশময় হতে পারত। মিরাজকে ফিরিয়ে সেটি অবশ্য হতে দেননি খুররাম শাহেদ। নিজের বলে ফিরতি ক্যাচে মিরাজকে ফেরান খুররাম। ইনিংসে এটি তার পঞ্চম শিকার। ভাঙে সপ্তম উইকেটে ১৬৫ রানের ঝলমলে জুটি। আউট হওয়ার আগে ১২৪ বলে ১২টি চার ও এক ছক্কায় ৭৮ রান আসে মিরাজের ব্যাট থেকে।
মিরাজকে ফেরানো খুররাম লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তাসকিন আহমেদকে। এক রান আসে তাসকিনের ব্যাট থেকে। ৫৩.৩ ওভারে আট উইকেটে ১৯৩ রান নিয়ে চা বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে পাকিস্তানের চেয়ে সফররতরা পিছিয়ে আছে ৮১ রানে। অপরাজিত ৮৩ রান নিয়ে বিরতিতে গেছেন লিটন।
লিটন-মিরাজের সাবলীল ব্যাটিং, একশ ছাড়াল বাংলাদেশ
২৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর প্রথম সেশনের বাকিটা সময় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাস। এই দুজনের ব্যাটে বাকিটা সময়ে আর কোনো বিপদ হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম সেশনের পর দ্বিতীয় সেশনেও দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন তারা। এরইমধ্যে দলীয় সংগ্রহ একশ ছাড়িয়েছে।
এবার সাজঘরে সাকিব, প্রথম ঘণ্টায় দাপট পাকিস্তানের
লিডের আশায় দ্বিতীয় দিনে খেলতে নেমে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ। দিনের প্রথম ঘণ্টার ৬ ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের দুই পেসার মির হামজা ও খুররাম শাহজাদ। বিপরীতে মাত্র ৫০ রান করতে পেরেছে বাংলাদেশ। আলতো শট, ভুল লাইনে খেলে নিজেদের উইকেট বিলিয়েছেন জাকির হাসান, সাদমান ইসলাম, নাজমুল হোসেন শান্তরা, মুমিনুল হক, সাকিব আল হাসানরা। সাকিব করেছেন ১০ বলে ২ রান।
হঠাৎ ছন্দপতনে এলোমেলো বাংলাদেশ
রীতিমত ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের অবস্থাটা ঠিক এমনই। শূণ্য উইকেটে ১০ রানে দিন শুরু করা বাংলাদেশ প্রথম ১০ ওভারেই হারিয়েছে পাঁচ উইকেট। যা রীতিমত অবিশ্বাস্য। একটা সময় পাকিস্তানের ২৭৪ রানকে খুব বেশি মনে না হলেও এখন সেটাই পাহাড়সম মনে হচ্ছে। উইকেটের মিছিলে সর্বশেষ নামটি মুশফিকুর রহিমের। যিনি প্রথম টেস্টে ১৯১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন। তবে, এই টেস্টে পারেননি নামের প্রতি সুবিচার করতে। ৯ বল খেললেও ৩ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি।
পাকিস্তানের বোলিং তোপে ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ
রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে, দ্বিতীয় টেস্টে এসেই খেই হারাল ব্যাটাররা। দুই ওপেনারের সঙ্গে ব্যর্থ অধিনায়ক শান্ত। এবার সেই তালিকায় যোগ দিলেন অভিজ্ঞ মুমিনুল হক। ২ বল খেলে মাত্র ১ রান করেছেন তিনি। সবমিলিয়ে দলীয় ২০ রানের মাথায় চতুর্থ উইকেট হারাল সফরকারীরা।
ফের ব্যর্থ অধিনায়ক শান্ত, দিনের শুরুতেই চাপে বাংলাদেশ
তৃতীয় দিনের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। কোনো উইকেট না হারিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ। প্রথম পাঁচ ওভারেই হারিয়েছে তিন উইকেট। সবমিলিয়ে বেশ চাপে সফরকারীরা। দুই ওপেনার জাকির হাসান, সাদমান ইসলামের পর সাজঘরে ফিরেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ৬ বলে ৪ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি।
দুই ওপেনারের বিদায়, বিপাকে বাংলাদেশ
দ্বিতীয় দিনে ভালো অবস্থানের পর তৃতীয় দিনের শুরুটাও ভালো করবে বাংলাদেশ। সমর্থকদের এমন প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি দুই ওপেনার জাকির হাসান ও সাদমান। দিনের পঞ্চম ওভারেই খুররাম শেহজাদের বলে মিড উইকেট অঞ্চলে দাঁড়িয়ে থাকা আবরার আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজঘরে। আউটের আগে করেন ১৬ বলে মাত্র ১ রান। এরপর টিকতে পারেননি আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম। এবারও বোলার সেই খুররাম শেহজাদ। ২৩ বলে ১০ করেন সাদমান।
বড় সংগ্রহের লক্ষ্যে তৃতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের দ্বিতীয় দিনটা দুর্দান্ত কেটেছে বাংলাদেশের। পাকিস্তানকে ২৭৪ রানে অলআউট করে কোনো উইকেট না হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ১০ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ২৬৪ রানে পিছিয়ে থাকলেও ব্যাট হাতে তৃতীয় দিনে ভালো শুরুর প্রত্যাশা ব্যাটারদের।
রাওয়ালপিন্ডিতে বাংলাদেশের দাপুটে দিন
বৃস্টিতে প্রথম দিনের খেলা ভেস্তে গেলেও দ্বিতীয় দিনটা দারুণ কেটেছে বাংলাদেশের। রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০ রান। এর আগে পাকিস্তানকে তারা অলআউট করে ২৭৪ রানে। বাংলাদেশের হয়ে মিরাজ সর্বোচ্চ ৫টি ও তাসকিন ৩টি উইকেট নেন।
মিরাজের পাঁচ উইকেট, অলআউট পাকিস্তান
প্রথম টেস্টের পুনরাবৃত্তি দ্বিতীয় টেস্টেও ফিরিয়ে আনল বাংলাদেশ। মিরাজ জাদুতে প্রথম ইনিংসে তিনশর আগে গুটিয়ে গেল পাকিস্তান। টানা দুই বলে পাকিস্তানের শেষ দুই উইকেট নিল বাংলাদেশ। তাসকিন-মিরাজ নিলে ভাগাভাগি করলেন শেষ দুই উইকেট। তাতেই পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে অলআউট ২৭৪ রানে। ৬১ রানে ৫ উইকেট নিলেন বাংলাদেশের ডানহাতি অফ স্পিনার। মিরাজ এ নিয়ে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেলেন দশবার।