টেনিসে অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন

জাতীয় টেনিস প্রতিযোগিতা চলছে। এরই মাঝে টেনিস ফেডারেশনের বর্তমান অ্যাডহক কমিটির বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন খেলোয়াড় ও কোচরা।
রমনা জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্সে মানববন্ধনে কোচ রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘ফেডারেশন থেকে বহিষ্কৃত কোচ অমল রায়সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সবুজ উদ্দিনকে লাঞ্ছিত ও হামলা করে আহত করার পরও বর্তমান অযোগ্য কমিটি তাকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মাধ্যমে ফের কোচের দায়িত্ব দেয়।’
তিনি যোগ করেন, ‘বিনা প্রশিক্ষণে ডেভিস কাপে খেলতে গিয়ে ইয়েমেন ও তাজিকিস্তানকে হারায় বাংলাদেশ। ১৫ দলের মধ্যে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করেন ইয়ামিন মুন্না। তারপরও তাকে সংবর্ধনা ও আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা হয়নি। এমনকি, তাকে ভালো ফল বয়ে আনতে আবাসনের ব্যবস্থাও করেনি বর্তমান কমিটি।’
রাশেদুল ইসলাম জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘টেনিস ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির দুর্নীতি ও অযোগ্যতায় বিস্মিত ও ব্যথিত আমরা টেনিস পরিবার। দুর্নীতিবাজ ও অযোগ্য অ্যাডহক কমিটিকে অনতিবিলম্বে অপসারণ করার দাবি জানাই।’
জাতীয় টেনিস দলের খেলোয়াড় হানিফ মুন্না বলেন, ‘ডেভিস কাপে আমরা ভালো ফল করে এলাম। কিন্তু বর্তমান কমিটি আমাদের মূল্যায়ন করল না।’ তিনি বলেন, ‘আমি একজন জাতীয় খেলোয়াড়; কিন্তু টেনিস কমপ্লেক্সে আমার আবাসন ব্যবস্থা ভালো নয়। কষ্ট করে থাকতে হয়।’
চলমান জাতীয় টেনিস প্রতিযোগিতায় খেলতে আসা রাজশাহী টেনিস কমপ্লেক্সের খেলোয়াড় ইয়াসিন আরাফাত বলেন, ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশে টেনিসে এখনো বৈষম্য চলছে। আমরা রাজশাহী ও অন্য দল শুধু দুপুরের খাবার পাচ্ছি। বিকেএসপি তিন বেলা খাবার দেয়। এটা কি ফেডারেশনের বৈষম্য নয়।’
ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ কারেন বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব নিয়েছি মাত্র তিন মাস। এর মধ্যে বিদেশে একাধিক দল খেলে এসেছে। জাতীয় পর্যায়েও তিনটি টুর্নামেন্ট করছি। আমরা সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার মাধ্যমে টেনিসের উন্নয়নের চেষ্টা করছি। এর মধ্যেও যারা এই প্রশ্নগুলো তুলছে, এটা দুরভিসন্ধিমূলক।’