শরিফুলের বোলিং তোপে ১০০ ছাড়ানো পুঁজি নোয়াখালীর
গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ব্যাটিংয়ের শুরুটা হয়েছিল ভালোই। কিন্তু কিছুক্ষণ পর শরিফুল ইসলামের পেস আগুন আর শেখ মেহেদীর স্পিন ঘূর্ণিতে কাবু হয়ে ব্যাটাররা যোগ দিলেন যাওয়া-আসার মিছিলে। এতে বাঁচা-মরার ম্যাচে বড় রানের আশা দেখালেও কোনোমতে ১০০ পার করা পুঁজি পেয়েছে তারা।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ১৯.৫ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে ১২৬ রান তুলেছে নোয়াখালী।
কাগজে-কলমে প্লে-অফ খেলার আশা এখনো বেঁচে আছে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য। তবে প্রধান শর্ত হলো নিজেদের বাকি দুই ম্যাচের সবগুলোই জিততে হবে তাদের।
সেই লক্ষ্যে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মন্দ হয়নি নোয়াখালীর। দুই ওপেনার হাসান ইসাখিল আর সৌম্য সরকার গড়েন ৩৬ রানের জুটি। ৮ বলে ১৪ রান করে সৌম্য ফিরলে ভাঙে সেই জুটি।
হাসান ইসাখিলও ভালো শুরুর পর ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২০ বলে ২৫ রান করেই ফিরে গেছেন শরিফুল ইসলামের বলে। এরপর দ্রুতই ফিরেছেন অধিনায়ক হায়দার আলী (১১ বলে ১২)।
জাকের আলী ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন পেয়ে তিন নম্বরে ভালো শুরু পেয়েছিল। তবে দায়িত্ব নিয়ে ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনিও। ২২ বলে ২৩ রান করে আমের জামালের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে ফিরেছেন জাকের।
এরপর বাকিরা যোগ দিয়েছেন যাওয়া-আসার মিছিলে। একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়েছেন সাত নম্বরে নামা সাব্বির হোসেন। ১৯তম ওভারে তাকে ফিরিয়ে নোয়াখালীর শেষ প্রতিরোধ ভাঙেন শরিফুল। সাব্বির ফেরেন ১৯ বলে ২২ রান করে।
এক বল পরেই ইহসানুল্লাহকে ফিরিয়ে নোয়াখালীর শেষ উইকেটের সঙ্গে সঙ্গে ফাইফার তুলে নেন শরিফুল। ৩.৫ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে নোয়াখালীকে গুড়িয়ে দেওয়ার নায়ক তিনি।
চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট তুলে নেন শরিফুল। তিনটি উইকেট নেন শেখ মেহেদী। একটি উইকেট যায় আমের জামালের ঝুলিতে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নোয়াখালী এক্সপ্রেস : ১৮.৫ ওভারে ১২৬/১০ (ইসাখিল ২৫, সৌম্য ১৪, জাকের ২৩, হায়দার ১২, সোহান ১১, মুনিম ১, হাসান মাহমুদ ৪, রানা ০, সাব্বির ২২, ইহসানুল্লাহ ০, জাহির ৬*; শরিফুল ৩.৫-১-৯-৫, মুকিদুল ৪-০-৩৮-০, তানভীর ৪-০-২৯-০, মেহেদী ৩-০-১২-৩, জামাল ৪-০-৩৬-১)

স্পোর্টস ডেস্ক