পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে যা বললেন শান্ত
ঐতিহাসিক, স্মরণীয়, দুর্দমনীয়– পাকিস্তানের বিপক্ষে এই জয়কে এর বাইরেও আরও কিছু বিশেষণ দিয়ে বিশেষায়িত করা যায়। যেখানে বলা হয়, এখনো টেস্ট খেলা শিখছে বাংলাদেশ, সেই তারাই এখন টানা হোয়াইটওয়াশের কীর্তি গড়ছে। ভারত, ইংল্যান্ডের মতো দলকে পেছনে ফেলছে।
আজ বুধবার (২০ মে) সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ৪৩৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৫৮ রানে গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান।
এর আগে ঢাকা টেস্টেও ১০৪ রানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ফলে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে জিতে পাকিস্তানকে প্রথমবার ঘরের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের এই জয় আর উন্নতি নিয়ে ম্যাচ শেষে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘সব কৃতিত্ব (জয়ের) খেলোয়াড়দের প্রাপ্য, তারা সত্যি অনেক কঠোর পরিশ্রম করছে। আমরা দলে কিছুটা পরিবর্তন এনেছি, আমাদের দল গঠনের চেষ্টা করেছি। আপনি যদি বিশ্ব ক্রিকেটের দিকে তাকান, তবে নতুন কিছু গড়ে তুলতে হলে আপনাকে পরিবর্তন করতেই হবে। আমি আশা করি আমরা যেভাবে খেলছি তা ধরে রাখতে পারব।’
বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ এখন যেকোনো দেশের জন্যই হুমকিস্বরূপ। বিশেষ করে পেস আক্রমণে বাংলাদেশ এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্ত অবস্থানে আছে। সাদা বল কিংবা লাল বল– সব বিভাগেই দারুণ করছেন নাহিদ রানা-তাসকিন আহমেদ-শরিফুল ইসলামরা।
বোলারদের প্রশংসা করে শান্ত বলেন, ‘প্রস্তুতির দিক থেকে আমরা অসাধারণ ছিলাম এবং এই ধরনের পরিস্থিতিতে তা বেশ সাহায্য করে। আমাদের ফাস্ট বোলাররা এমন গরমের মধ্যে, একটি ফ্ল্যাট উইকেটে দারুণ কাজ করেছে। বোলারদের এই দিকটিই আমরা সবসময় উন্নত করতে চেয়েছিলাম।’
বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের বড় একটি সমস্যা ছিল- একজন ব্যাটার আউট হলেই দ্রুতই আরও কয়েকটি উইকেট চলে যেত বাংলাদেশের। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজ তার কিছুটা ব্যতিক্রম দেখা গেছে বাংলাদেশকে।
ব্যাটারদের উন্নতি নিয়ে শান্ত বলেন, ‘ব্যাটিংয়ের কথা বললে- মাঝেমধ্যে আমরা খুব দ্রুত অনেক উইকেট হারিয়ে ফেলতাম। কিন্তু ইদানীং আমাদের চমৎকার কিছু পার্টনারশিপ হচ্ছে। আমাদের টেইলএন্ডাররাও (নিচের সারির ব্যাটসম্যান) অনেক অবদান রাখছে। ব্যাটিংয়ের এই বিষয়গুলোও আমার উন্নতির চেষ্টা করছিলাম। আমি আশা করি আমরা এটা ধরে রাখতে পারব।’

স্পোর্টস ডেস্ক