সেই রেকর্ডে নাম লেখাতে পারবে কী আর্জেন্টিনা?
দীর্ঘ ৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০২২ সালে মধ্যপ্রাচ্যে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল আর্জেন্টিনা। দরজায় দাঁড়িয়ে আরও একটি বিশ্বকাপ। এবারও হট ফেভারিট হিসেবেই বিশ্ব মঞ্চে যাচ্ছে আলবিসেলেস্তেরা। মেসি-মার্টিনেজদের সামনে লক্ষ্য টানা দ্বিতীয় শিরোপার। সেটি হলে আর্জেন্টিনার নাম উঠবে ইতিহাসের পাতায়।
ফুটবল বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি আছে মাত্র দুটি দেশের। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে প্রথম এই রেকর্ড গড়েছিল ইতালি। এর ঠিক ২০ বছর পর ১৯৫৮ ও ১৯৬২ বিশ্বকাপে পেলের জাদু ও গারিঞ্চাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার ট্রফি উঁচিয়ে ধরে ব্রাজিল। বিগত ৬৪ বছরে বিশ্বফুটবলের আর কোনো দেশ এই রেকর্ডে ভাগ বসাতে পারেনি।
সর্বশেষ ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে এই রেকর্ডের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল ফ্রান্স। ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা সেবারও ফাইনালে উঠেছিল। কিন্তু কিলিয়ান এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকের পরও টাইব্রেকারে তাদের হৃদয় ভেঙে দিয়ে শিরোপা জিতে নেয় আর্জেন্টিনা।
এবার ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নামছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। ফুটবলবিশ্বের নজর এখন একটাই— ইতালি ও ব্রাজিলের পর তৃতীয় দেশ হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের সেই ঐতিহাসিক রেকর্ড কি স্পর্শ করতে পারবে আলবিসেলেস্তেরা?
আর্জেন্টিনাকে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ জেতানো কোচ লিওনেল স্কালোনি চার বছর আগের মতোই শান্ত ও বাস্তববাদী আছেন। তিনি খুব ভালো করেই জানেন, বিশ্বজুড়ে থাকা কোটি কোটি আর্জেন্টাইন সমর্থক তার কাছ থেকে এবারও শিরোপা ধরে রাখার প্রত্যাশা করছেন।
শিরোপা ধরে রাখার এই মিশন শুরুর আগে স্কালোনি বলেন, ‘আমরা বেশ ভালো অবস্থানে আছি এবং মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছি। আমরা জানি, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় এখন প্রতিটি প্রতিপক্ষ দল আমাদের ভিন্ন নজরে দেখবে এবং বাড়তি গুরুত্ব দেবে। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আমরা আমাদের সেরাটা দিতে প্রস্তুত। এরপর তো খেলাটা ফুটবল, মাঠে যেকোনো কিছুই ঘটে যেতে পারে।’

স্পোর্টস ডেস্ক