বেলজিয়ামের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে সেনেগাল
নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপসেরা হয়েই শেষ ৩২- এ পা রেখেছে বেলজিয়াম। আর সেনেগাল এসেছে তৃতীয় সেরা দলগুলোর মধ্যে একটি হয়ে। তবে শেষ ষোলোতে যাওয়ার লড়াইয়ে প্রথমার্ধে মাঠের চিত্র দেখা গেল ভিন্ন। বেলজিয়ামের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলল সেনেগাল। বল দখলের লড়াইয়ের সঙ্গে আক্রমণ-- সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল তারা। সুফল হিসেবে গোলও পেয়েছে আফ্রিকার দলটি। এগিয়ে থেকেই গেছে বিরতিতে।
বুধবার (১ জুলাই) দিনগত রাত ২টায় যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল স্টেডিয়ামে মশেষ ৩২- এর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বেলজিয়াম আর সেনেগাল। প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে সেনেগাল।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে সেনেগাল। ১৫তম মিনিটের মধ্যে ডান দিক দিয়ে ইসমাইলা সার দ্রুতগতির আক্রমণ চালান এবং বক্সে ঢুকে শট নেন। তবে গোলবারে লেগে ফিরে আসে সেটি। অবশ্য সেখান থেকে পাওয়া ফিরতি বল থেকেই গোলের সুযোগ তৈরি হয়।
এরপর ম্যাচের ২৪তম মিনিটে আবারও একই আক্রমণধারার ফল পায় সেনেগাল। সার-এর প্রচেষ্টা গোলবারে লেগে ফেরার পর বল পেয়ে কাছ থেকে জোরালো শটে গোল করেন হাবিব দিয়ারা। বেলজিয়াম গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া খুব কাছ থেকে নেওয়া এই শট ঠেকানোর সুযোগই পাননি।
এর আগে ১০ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে একাধিকবার বেলজিয়ামের রক্ষণ ভেঙে ঢুকে পড়ে সেনেগাল। সাদিও মানে ও ইলিমান এনদিয়ায়ে মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক তৈরি করেন। বিশেষ করে বাম দিক দিয়ে মানের কাট-ইন পাস থেকে বিপজ্জনক মুভ তৈরি হয়, তবে শেষ মুহূর্তে বেলজিয়ামের ডিফেন্ডাররা ক্লিয়ার করেন।
বেলজিয়ামও বসে থাকেনি। ৩০তম মিনিটের দিকে কেভিন ডি ব্রুইনা দূরপাল্লার শট নেন, যা সহজেই ধরে ফেলেন সেনেগালের গোলরক্ষক মোরি দিয়াও। এরপর ৩৫তম মিনিটে ট্রসার্ডের একটি নিচু শটও দারুণভাবে সেভ করেন দিয়াও।
প্রথমার্ধের শেষদিকে বেলজিয়াম কিছুটা বল দখল বাড়ালেও কার্যকর আক্রমণ গড়তে পারেনি। অন্যদিকে, সেনেগাল সংগঠিত ডিফেন্স ও দ্রুত ট্রানজিশনে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখে। প্রথমার্ধের পরিসংখ্যানেও এগিয়ে সেনেগাল। শট, আক্রমণ ও বল দখল- সব দিক থেকেই তারা ছিল বেশি কার্যকর। মাঠে তাদের গতি, সমন্বয় ও আক্রমণভাগের ধার ছিল স্পষ্টভাবে বেলজিয়ামের চেয়ে ভালো।

স্পোর্টস ডেস্ক