মেসির গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে আর্জেন্টিনা
স্পষ্ট ফেভারিট আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচের আগে আলোচনায় ছিল কেপ ভার্দে কি কোনো অঘটন ঘটাবে? না, প্রথমার্ধে তেমন কিছু দেখা যায়নি। বল দখলে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির দুর্দান্ত গোলে লিডও পেয়ে গেছে আলবিসেলেস্তেরা।
আজ শনিবার (৪ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে শেষ ৩২- এর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা আর কেপ ভার্দে। প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা।
শুরুর বাঁশি বাজতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটেই দুই দিক থেকে আক্রমণ সাজায় তারা। ডান প্রান্তে ফুলব্যাকের ওভারল্যাপ এবং বাম দিকে উইঙ্গারের কাট-ইন থেকে বারবার চাপ তৈরি হয় কেপ ভার্দের রক্ষণে।
ম্যাচের ২৯তম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। মাঝমাঠ থেকে দ্রুত পাসিং মুভে বল নিয়ে এগিয়ে আসে বক্সের সামনে। সেখান থেকে বল পেয়ে বাম পায়ের নিয়ন্ত্রিত শটে গোলরক্ষকে পরাস্ত করেন লিওনেল মেসি। গোলকিপারের ডান পাশ ঘেঁষে জালে জড়িয়ে যায়।
গোলের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে ডান দিক দিয়ে একাধিক ক্রস এবং বক্সের বাইরে থেকে শট নেয় আলবিসেলেস্তেরা। প্রথমার্ধে মোট ৪টি শট নেয় আর্জেন্টিনা। যার মধ্যে ৩টি ছিল লক্ষ্যে।
এই তিনটি অন টার্গেট শটের মধ্যে অন্তত ২টি দুর্দান্ত সেভ করে কেপ ভার্দের গোলরক্ষক দলকে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া থেকে বাঁচান। একবার কর্নার থেকে আসা হেড এবং আরেকবার বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া শক্তিশালী শট ঠেকান তিনি।
অন্যদিকে, কেপ ভার্দে শুরুতে কিছুটা রক্ষণাত্মক থাকলেও ধীরে ধীরে পাল্টা আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে। তারা মূলত লং বল এবং কাউন্টার অ্যাটাকের উপর নির্ভর করেছে। তবে ফাইনাল থার্ডে গিয়ে কার্যকর হতে পারেনি। প্রথমার্ধে তাদের নেওয়া ২টি শটের একটিও ছিল না লক্ষ্যে।
মাঝমাঠে পুরোপুরি আধিপত্য দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। ৬৪ শতাংশ বল দখল রেখে খেলা নিয়ন্ত্রণ করেছে তারা। সবমিলিয়ে প্রথমার্ধে একচেটিয়া দাপট দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা।

স্পোর্টস ডেস্ক