কত টাকা পাবে বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল?
প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। ১১ জুন পর্দা ওঠা টুর্নামেন্ট এখন পর্দা নামার পথে। অপেক্ষা কেবলই শিরোপা নির্ধারণের। সেই লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন আর আর্জেন্টিনা। যারা জিতবে তাদের হাতে উঠবে বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি। শুধু কি ট্রফিই? এর সঙ্গে মিলবে বিশাল অঙ্কের প্রাইজমানিও।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় ২০২৬ বিশ্বকাপে মোট প্রাইজমানি বাড়ানো হয়েছে ২১ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এ ছাড়া চ্যাম্পিয়নদের জন্য ৮০ লাখ এবং রানার্সআপ দলের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে ৩০ লাখ ডলার। শতাংশের হিসাবে এবার প্রাইজমানি বেড়েছে ৫০ শতাংশ।
ফিফার ঘোষিত প্রাইজমানি অনুযায়ী, বিশ্বকাপ জিতলেই চ্যাম্পিয়ন দলের ব্যাংক হিসাবে যোগ হবে ৫ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এ ছাড়া রানার্সআপ দল পাবে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪০৩ কোটি টাকা। এর আগে সর্বশেষ কাতার বিশ্বকাপে শিরোপাজয়ী আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার এবং রানার্সআপ ফ্রান্স পেয়েছিল ৩ কোটি ডলার।
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয়ী ইংল্যান্ড পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার, বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা। আর চতুর্থ হওয়া ফ্রান্স পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা প্রায় ৩৩৩ কোটি টাকার সমান।
কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর জন্যও থাকছে বড় অঙ্কের পুরস্কার। শেষ আটে থেমে যাওয়া প্রতিটি দল পাবে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। শেষ ষোলো থেকে বাদ পড়া দলগুলোর প্রাপ্তি ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর শেষ ৩২ থেকে বিদায় নেওয়া দল পাবে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার।
গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো পাবে ৯০ লাখ ডলার। এর সঙ্গে প্রস্তুতি খরচ হিসেবে দেওয়া হবে আরও ১৫ লাখ ডলার। ফলে অংশগ্রহণকারী ৪৮ দলের প্রত্যেকটির জন্য অন্তত ১ কোটি ৫ লাখ ডলার নিশ্চিত করেছে ফিফা।
নির্ধারিত অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনের কাছে হস্তান্তর করবে ফিফা। এরপর ফেডারেশন খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জন্য বোনাস নির্ধারণ করবে। বাকি অর্থ সাধারণত তৃণমূল ফুটবলের উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা হয়।

স্পোর্টস ডেস্ক