নয়াদিল্লিতে রাহুল গান্ধী আটক
ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের সহসভাপতি রাহুল গান্ধীকে পুলিশ আটক করেছে। তাঁকে এ মুহূর্তে থানায় রাখা হয়েছে।
আজ বুধবার নয়াদিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে আত্মহত্যাকারী এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে পুলিশ রাহুলকে আটক করে।
এদিকে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে লেডি হার্ডিঞ্জ হাসপাতালের বাইরে বাধা দেয় পুলিশ। ওই হাসপাতালে আত্মহত্যাকারী সেনাসদস্যের ময়নাতদন্ত চলছে।
কেজরিওয়াল বলেন, ‘আমার রাজ্যে কেউ যদি আত্মহত্যা করে, আমি আসতে পারি না? পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারি না? কেন্দ্রীয় সরকার মাস্তানি উসকে দিচ্ছে?’
আজ রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনিষ সিসোদিয়াকেও আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।
গত মঙ্গলবার সুবেদার রাম কিষেন গ্রেওয়াল (৬৫) সরকারি ভবনে বিষপানে আত্মহত্যা করেন বলে জানা গেছে। সুইসাইড নোটে তিনি লিখে গেছেন, সরকারঘোষিত বর্ধিত-ভাতা তিনি এখনো পাননি।
এদিকে, পুলিশ অভিযোগ করেছে, রাজনীতিবিদরা হাসপাতালে নিয়মিত কাজে বাধা দিচ্ছেন। এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘হাসপাতালে কোনো ধরনের বিঘ্ন হতে দেবে না দিল্লি পুলিশ। তাঁরা বক্তব্য দিচ্ছেন। নেতাদের বোঝা উচিত এখানে তাঁরা রাজনীতি করতে পারেন না।’
আটকের আগে হাসপাতালে বাইরে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘এটা নতুন ভারত। এটাকে মেনে নিন।’ কংগ্রেস তাঁর আটককে অগণতান্ত্রিক বলে অভিহিত করেছে। দলের নেতা আনন্দ শর্মা বলেন, ‘হাসপাতালে যাওয়ার, সেনাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্য আপনার কোনো অনুমতি লাগে না।’
এদিকে, আত্মহত্যাকারী সুবেদার গ্রেওয়ালের ছেলে জশওয়ান্তকেও আটক করেছে পুলিশ। হাসপাতালের বাইরে আম আদমি পার্টির (এএ) বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। জশওয়ান্তকে আটক লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেন রাহুল গান্ধী।

এনডিটিভি