ধার করা মার্কায় ভোট করা যাবে না : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, স্ব স্ব জামা (প্রতীক), এই ভোটে গায়ে দিতে হবে। অন্যদলের জামা গায়ে দেওয়া যাবে না। অনেক দল বলেছে তারা জোটবদ্ধ হলেও অন্যের প্রতীক ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু আমরা বলছি এখন থেকে নিজের দলের কোট ব্যবহার করতে হবে; অন্যদলের কোট ব্যবহার করা যাবে না। ধার করে কারোর মার্কায় ভোট করা যাবে না। জোটের প্রার্থী হলেও স্ব স্ব প্রতীকে ভোট করতে হবে।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এসব কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘গণভোট নির্বাচনের দিন হওয়ার কথা। অথচ ইসি গণভোট নিয়ে এখনও প্রস্তুত না। গণভোট করার কোনো প্রস্তুতি ইসির দেখছি না। কীভাবে গণভোট হবে এটা দেখছি না। তাই ইসিকে বলেছি দ্রুত গণভোটের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির প্রার্থী পোস্টারে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করছে। এ জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপত্তি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও পটুয়াখালী জেলা সমন্বয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা এ অভিযোগ তোলেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসীর উদ্দিনসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংলাপে উপস্থিত ছিলেন।
জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, বিএনপির প্রধান ম্যাডাম খালেদা জিয়া। তাঁর ছবি প্রার্থীরা ব্যবহার করলে আমাদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, প্রার্থীরা তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করছে। এটাতে আমরা আপত্তি জানিয়েছি। ইসি এটাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করে সেটাই দেখার বিষয়।
জহিরুল ইসলাম মুসা আরও বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বিধিমালায় দেখিয়েছি, কোন প্রার্থী মনোনীত হওয়ার পর তার নিজের ছবি, প্রতীকের ছবি ও দলীয় প্রধানের ছবি ছাড়া অন্য কারোর ছবি ব্যবহার করতে পারবে না। কিন্তু আমরা ইসির স্বক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছি। ইসিকে বলেছি আপনারা জাতীয়বাদী দল বিএনপির ক্ষেত্রে এটা প্রয়োগ করতে পারবেন কিনা। বর্তমানে বিএনপির দলীয় প্রধান ম্যাডাম খালেদা জিয়া। কিন্তু আমরা দেখছি যারা বিএনপি থেকে যারা মনোনীত হয়েছেন বা হবেন তারা বিভিন্ন প্রচারপত্রে, পোস্টারে, বিলবোর্ডে, লিফলেটে সব জায়গায় তারা তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করছেন। আমরা ইসিকে বলেছি এটি কীভাবে স্ট্রিকলি প্রয়োগ করবেন, এটা থেকে বিএনপিকে কীভাবে বিরত রাখবেন এটা দিয়ে আপনাদের (ইসি) সক্ষমতা প্রমাণিত হবে। আপনাদের স্বক্ষমতার একটা ধাপ জনগণের কাছে পূরণ হবে। এটা ইসি যদি পারে তাহলে তাদের একটা সক্ষমতা তৈরি হবে।
জহিরুল ইসলাম মুসা আরও বলেন, যাদের বয়স নির্বাচনের আগে ১৮ বছর পূর্ণ হবে তাদের ভোটার করতে হবে। তরুণ-জেনজিদের ভোটের আওতায় আনতে হবে। বড় একটা সংখ্যক জেনজি যারা আন্দোলন করেছিলেন, তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক