দিপু দাস হত্যা : লাশ পোড়ানোয় নেতৃত্ব দেওয়া ইয়াছিন গ্রেপ্তার
ময়মনসিংহের ভালুকায় গার্মেন্টস শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ড ও লাশ পোড়ানোর ঘটনায় সরাসরি নেতৃত্ব দেওয়া ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহযোগিতায় ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ইয়াছিন আরাফাত ভালুকা থানার দক্ষিণ হবিরবাড়ি (কড়ইতলা মোড়) এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেপ্তার এড়াতে ইয়াছিন গত ১২ দিন দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনার দিন পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির গেটে উস্কানিমূলক স্লোগান দিয়ে লোক জড়ো করার পেছনে মূল কারিগর ছিলেন ইয়াছিন। দিপুকে নৃশংসভাবে হত্যার পর তার নিথর দেহ রশি দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে সেখানে পেট্রোল ঢেলে লাশ পোড়ানোর পৈশাচিক ঘটনায় তিনি সরাসরি নেতৃত্ব দেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ইয়াছিনসহ মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। যেখানে তারা দিপু হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা ও ইয়াছিনের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করেছেন। এই মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আইয়ুব আলী, ময়মনসিংহ