মসিকের সব খাল সংস্কারের তাগিদ নবনিযুক্ত প্রশাসকের
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) সব খাল সংস্কারের তাগিদ দিলেন নবনিযুক্ত প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার রোকন। বিভিন্ন খাল পরিদর্শন করে আজ রোববার (২৯ মার্চ) এই খাল সংস্কারের তাগিদ দেন তিনি।
রোকনুজ্জামান সরকার রোকন আজ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নগরীর আকুয়া, মাকরজানি, বাইপাস ও চরপাড়া খাল পরিদর্শন করেন।
এ সময় খালের বিভিন্ন জায়গায় আবর্জনা থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কর্মকর্তাদের দ্রুত খাল পরিষ্কারের তাগিদ দেন সিটি প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার।
নবনিযুক্ত প্রশাসকের সঙ্গে ছিলেন সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাসহ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা।
ময়মনসিংহ নগরীতে চারটি প্রধান খাল এবং বেশ কিছু উপখাল প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। মাঝেমধ্যে বর্ষার আগে খাল পরিষ্কার করা হলেও পরবর্তী বর্ষা আসার আগেই আবার দখলে-দূষণে ভরাট হয়ে যায়। এতে শহরের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে জলমগ্ন হয়ে পড়ে গোটা শহর।
খাল খনন কাজ পরির্দন শেষে রোকনুজ্জামান সরকার বলেন, ময়মনসিংহ নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রত্যেকটা খালকে সংস্কার করা হবে, খালের পানি প্রবাহ যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে পরিকল্পনা মাফিক কাজ করা হবে। তবে আসন্ন বর্ষায় আপাতত শহরের রাস্তা যাতে পানিমগ্ন হয়ে নাগরিক দুর্ভোগ সৃষ্টি না করতে পারে সেটাই অগ্রাধিকার দিতে চাই। পরবর্তী সময়ে আধুনিক মাস্টারপ্ল্যান করে পানি নিষ্কানের স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় জলাবদ্ধতা নিরসনে আবর্জনা খালে না ফেলতে নগরবাসীর সহায়তা চান নবনিযুক্ত মসিক প্রশাসক।
মসিকের ৯১ দশমিক ৩১৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় অবস্থিত খালগুলো ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে সংযুক্ত এবং নগরীর পানি নিষ্কাশনের মূল মাধ্যম হলেও অবৈধ দখল ও দূষণের কারণে এগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। মসিকের জনসংখ্যা স্থায়ী বাসিন্দা ছয় লাখসহ ১০ লাখের বেশি। মসিক এলাকায় প্রতিদিন প্রায় ৪০০ টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। সেই বর্জ্যের কিছু ঠাই পায় এসব পানি প্রবাহের খালে।

আইয়ুব আলী, ময়মনসিংহ